—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
২২টি গরু-সহ ছ’জনকে গ্রেফতার করল সাগরদিঘি থানার পুলিশ। ধৃতদের চার জন মকুল ফুলমালি, হাসিবুর রহমান, আপেল শেখ ও গণেশ ফুলমালির বাড়ি সাগরদিঘির হলদি গ্রামে। অন্য দু’জন হল— ভগবানগোলার চ্যাংটা পাহাড়পুরের বাইতুল শেখ ও সুন্দরপুরের বাসিন্দা সাকিমুদ্দিন শেখ।
এ দিন পুলিশ খবর পায়, সাগরদিঘির সন্তোষপুর মোড়ে কয়েক জন ব্যক্তি পাচারের উদ্দেশ্যে বিপুল সংখ্যক গবাদি পশু নিয়ে জড়ো হয়েছে। সেখানে পৌঁছে চার জনকে দশটি গরু-সহ আটক করা হয়। গরুগুলিকে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ দেখেই তারা পালানোর চেষ্টা করে। ধাওয়া করে চার জনকেই ধরে
ফেলে পুলিশ।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, আরও দু’জন গৌরীপুরে অপেক্ষা করছে এবং তাদের কাছে পাচারের জন্য আরও ১২টি গরু রয়েছে।
সন্ধে নাগাদ পুলিশ গৌরীপুরে গিয়ে দেখতে পায় দু’জন ১২টি গরু নিয়ে অপেক্ষা করছে। পুলিশ দেখে তারাও পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ধরা
পড়ে যায়।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ছ’জন অভিযুক্তই গরু পাচারের চেষ্টার কথা স্বীকার করে। পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে, ধৃত বাইতুল শেখ ও সাকিমুদ্দিন শেখ স্বীকার করে যে, তারা বিপুল অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে ভগবানগোলার পথ দিয়ে গরুগুলি পাচারের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল।
এক পুলিশ কর্তা জানান, নদীতে জল বাড়লে পাচারে সুবিধা হয়। তবে সীমান্তে কড়া নজরদারি থাকায় ধরা পড়ে যাচ্ছে পাচারকারীরা।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে