Jawaharlal Nehru Memorial Hospital

রোগী-মৃত্যুতে গাফিলতির অভিযোগ কল্যাণীতে! উত্তেজনায় উত্তাল হাসপাতাল চত্বর

উমেশের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের পরিবারের সদস্যেরা। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে শুরু হয় বিক্ষোভ। মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। খবর পেয়ে দফায় দফায় হাসপাতালে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ০০:৩৮
Share:

কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল। — ফাইল চিত্র।

রোগীর মৃত্যুতে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ উঠল নদিয়ার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে। তা নিয়ে রবিবার দুপুরে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াল হাসপাতাল চত্বর। জানা গিয়েছে, বুকে ব্যথা নিয়ে যাত্রাসিদ্ধি এলাকার বাসিন্দা উমেশ মাহাতোকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অভিযোগ,৩২ বছরের উমেশকে দীর্ঘ ক্ষণ জরুরি বিভাগে ফেলে রাখা হয়। পরিবারের দাবি, তাঁকে সময়মতো চিকিৎসা করা হয়নি। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক একটি ইনজেকশন দেওয়ার পরেই উমেশের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে পরিবারের তরফে। এর পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

উমেশের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের পরিবারের সদস্যেরা। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে শুরু হয় বিক্ষোভ। মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। খবর পেয়ে দফায় দফায় হাসপাতালে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিবারের সদস্যেরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, সময়মতো ব্যবস্থা নিলে উমেশের মৃত্যু এড়ানো যেত।

অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতালের সুপার ডাক্তার অতনু বিশ্বাস জানান, মৃতের পরিবারকে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। অতনু বলেন, ‘‘পুরো ঘটনার সঠিক তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত, হাসপাতালের তরফে কোনও মন্তব্য করা হবে না।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement