Tamanna Kahtun Murder Case

‘মুখ্যমন্ত্রী আমার যন্ত্রণা বুঝছেন না?’ হাসপাতাল থেকে ফিরে তমন্নার খুনের বিচার চেয়ে মমতার সাক্ষাৎপ্রার্থী মা

সাত মাস আগে কালীগঞ্জের উপনির্বাচনে শাসকদলের বিজয়োৎসবের সময় বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় ১১ বছরের তমন্না খাতুনের। ওই মামলায় আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে পুলিশ। কিন্তু খুশি নয় মৃতের পরিবার।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৫
Share:

তমন্না খাতুনের খুনের বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বার্তা মা সাবিনা বিবির। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসার পর বিপন্মুক্ত নদিয়ার সাবিনা বিবি। বোমার আঘাতে ১১ বছরের মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে এ বার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেন তিনি। বুধবার কালীগঞ্জের বাড়ি থেকে কন্যাহারা অসহায় মা আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘‘উনি (মুখ্যমন্ত্রী) হয়তো বুঝতে পারছেন না মেয়েকে হারিয়ে আমার কতটা কষ্ট হচ্ছে! আমি চাই, উনি আমায় একটু সময় দিন। আমি ওঁর কাছে আমার যন্ত্রণার কথা বলতে চাই।’’

Advertisement

সাত মাস আগে কালীগঞ্জের উপনির্বাচনে শাসকদলের বিজয়োৎসবের সময় বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় ১১ বছরের তমন্না খাতুনের। ওই মামলায় আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে পুলিশ। কিন্তু তমন্নার মা তথা পরিবারের দাবি, ‘প্রকৃত দোষীরা’ এখনও অধরা। পরিবারের এ-ও দাবি, মেয়ের বিচার না-পাওয়ার হতাশায় এবং মানসিক যন্ত্রণায় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন সাবিনা। বুধবার ওই মহিলা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। তাঁর আর্জি, মুখ্যমন্ত্রী একবার কথা বলুন তাঁর সঙ্গে।

তমন্নার খুনে অভিযুক্তদের তালিকায় নাম থাকা ১৪ জনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১০ জন গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু বাকিদের বিরুদ্ধে কেন চার্জশিট জমা পড়ল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সাবিনা। তিনি আশঙ্কা করছেন, আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁকফোকর দিয়ে অভিযুক্তেরা সহজেই জামিন পেয়ে যাবেন। তার পর আবার তাঁদের উপর আক্রমণ হতে পারে।

Advertisement

তমন্নার পরিবার জানিয়েছে, তারা বর্তমান সরকারি আইনজীবী (পিপি)-র উপর আস্থা রাখতে পারছেন না। সাবিনা নিজে বলেন, ‘‘আমি এসপি-র কাছে বার বার আবেদন জানিয়েছি, পিপি পরিবর্তনের জন্য। কিন্তু এখনও কোনও কাজ হয়নি।’’

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তমন্নার মা বলেন, ‘‘বিচার না-পাওয়া পর্যন্ত লড়াই করব।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement