অশান্তিতে ভেস্তে গেল পরীক্ষা

পুলিশ ও ছাত্রদের মধ্যে ধস্তাধস্তিতে ভেস্তে গেল স্নাতক প্রথম বর্ষের আবশ্যিক বাংলার ছাত্রদের পরীক্ষা। বুধবার বেলডাঙা এসআরএফ কলেজের ওই ঘটনার পর টিচার-ইন-চার্জ সুজাতা মুখোপাধ্যায় জানান, শনিবার অন্য একটি প্রশ্নপত্রে ওই ছাত্রদের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০১৫ ০১:১৪
Share:

পুলিশ ও ছাত্রদের মধ্যে ধস্তাধস্তিতে ভেস্তে গেল স্নাতক প্রথম বর্ষের আবশ্যিক বাংলার ছাত্রদের পরীক্ষা। বুধবার বেলডাঙা এসআরএফ কলেজের ওই ঘটনার পর টিচার-ইন-চার্জ সুজাতা মুখোপাধ্যায় জানান, শনিবার অন্য একটি প্রশ্নপত্রে ওই ছাত্রদের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

Advertisement

আবশ্যিক বাংলা পরীক্ষার জন্য কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি সেটে প্রশ্নপত্র করেছিল। অনার্সের পড়ুয়া, সাধারণ বিভাগের ছাত্রীদের ও সাধারণ বিভাগের ছাত্রদের জন্য আলাদা আলাদা প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়। বুধবার প্রথমার্ধে ছিল সাধারণ বিভাগের ছাত্রীদের পরীক্ষা। পরীক্ষা দিয়ে ছাত্রীরা বার হচ্ছিলেন। একই সময়ে ছাত্ররা পরীক্ষার হলে ঢুকছিলেন। হুড়োহুড়িতে এক ছাত্রী পড়ে যান। কলেজের মূল ফটকের বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিভিক ভলেন্টিয়ারদের মনে হয়, কোনও ছাত্র হয়তো ওই ছাত্রীকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ঠেলে ফেলে দিয়েছে।

অভিযোগ, তারপর ওই সিভিক ভলেন্টিয়াররা কলেজে ঢুকে ছাত্রদের উপর নির্বিচারে লাঠি চালায়। ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছাত্র জখমও হন। এই পুলিশি জুলুমের প্রতিবাদে ছাত্ররা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তারা পুলিশকর্মীদের ঘিরে রেখে বিক্ষোভ দেখায়। কলেজে ভাঙচুর করে। পরে বেলডাঙা ও রেজিনগর থানার যৌথ পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। ছাত্রদের সঙ্গে দফায় দফায় পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ আলোচনা করেন। তারপর পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়। এরই মধ্যে পরীক্ষার সময় শেষ হয়ে যায়।

Advertisement

সুজাতা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ছাত্রদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ামক শনিবার পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। সে দিন পরীক্ষার জন্য প্রশ্নপত্রের অন্য একটি সেট পাঠাবে বিশ্ববিদ্যালয়। পুলিশের মারে বেশ কয়েক জন ছাত্র জখম হয়েছেন।’’

পরীক্ষা ভেস্তে যাওয়ার কারণ হিসেবে পুলিশের বাড়াবাড়িকেই দায়ী করছেন পড়ুয়ারা। ছাত্রদের তরফে মহম্মদ ফারুক বলেন, ‘‘বিনা কারণে পুলিশ আমাদের মারল। দশজন আহত হয়েছেন। আমারও কপাল ফেটে গিয়েছে। দোষী পুলিশদের শাস্তি দাবি করছি।’’ জেলার পুলিশ সুপার সি সুধাকর বলেন, ‘‘ছাত্রদের তরফে অভিযোগ করলে ঘটনার তদন্ত করে পদক্ষেপ করা হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement