Scam: সই জাল করে চাকরির অভিযোগ মালদহের শিক্ষিকার, অধরা অভিযুক্ত

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, সম্প্রতি মানিকচকের নুরপুরের যোগিনীগ্রাম ম্যানেজড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকার পদে যোগ দেন বিনীতা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২১ ০০:০০
Share:

নিজস্ব চিত্র।

চাকরি ক্ষেত্রে ভুয়ো কারবারের যেন রমরমা ব্যবসা শুরু হয়েছে মালদহ জুড়ে। রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের সই জালের অভিযোগের পর ফের প্রায় একই ধরনের ঘটনা ওই জেলায়। অভিযোগ, মালদহ জেলার ডিআই (প্রাথমিক)-এর জাল স্বাক্ষর সম্বলিত নিয়োগপত্র নিয়ে চাকরিতে যোগদান করেছেন এক শিক্ষিকা। বিষয়টি নজরে আসতেই জেলা প্রাইমারি কাউন্সিলের আধিকারিকদের চক্ষু চড়কগাছ। এ নিয়ে পুলিশের কাছে এফআইআর করেছেন ডিআই (প্রাইমারি) সুনীতি সাঁপুই। তার ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করলেও অধরা অভিযুক্ত।

Advertisement

সুনীতি সাঁপুইয়ের দাবি, সহকারি শিক্ষিকা পদে ভুয়ো নথি নিয়ে কাজে যোগ দিয়েছেন বিনীতা মণ্ডল। ইতিমধ্যেই ওই পদে পূরবী দাস নামে বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বরের বাসিন্দা শিক্ষিকা হিসাবে কাজ করছেন। ১৫ জুলাই রাজ্য বোর্ড অব প্রাইমারি এডুকেশনের সেক্রেটারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করেছিলেন তাতেও বিনীতা মণ্ডলের নাম নেই বলে দাবি। তা ছাড়া, ২৭ জুলাই নিয়োগ সংক্রান্ত ওই ধরণের কোনও নথিই তিনি ছাড়েননি বলেও দাবি সুনীতির। তাই পুরো ঘটনা জানিয়ে মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সুনীতি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, সম্প্রতি মানিকচকের নুরপুরের যোগিনীগ্রাম ম্যানেজড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকার পদে যোগ দেন বিনীতা। অভিযোগ, যে নথি নিয়ে ওই পদে তিনি যোগ দিয়েছেন তা পুরোপুরি ভুয়ো ও বেআইনি। ২৭ জুলাই মালদহ জেলা প্রাথমিক সংসদ থেকে ওই নথি ইস্যু করা হয়েছিল বলে দাবি বিনীতার। ওই নথি নিয়েই মানিকচক– ১ সার্কলের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা পদে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

শুক্রবার মালদহের পুলিস সুপার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘‘অভিযোগ পাওয়ার পর একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। এ নিয়ে তদন্তও শুরু হয়েছে।’’

প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই রাজ্যের সেচ এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের দাবি ছিল, তাঁর সই জাল করে জনস্বাস্থ্য এবং কারিগরি দফতরে চাকরির সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। তা নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের নয়া বিতর্ক মালদহে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement