নিজস্ব চিত্র
ফের মালদহে বিজেপি-তে ভাঙন। এ বার হাতছাড়া হতে চলেছে মালদহের গাজলের রানিগঞ্জ ১ নম্বর অঞ্চলের গ্রাম পঞ্চায়েত। আগেই এই পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিল বিজেপি। এর পর শুক্রবার নতুন করে পঞ্চায়েত প্রধান ও একজন সদস্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় ১০ আসনের গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি-র কাছে রইলেন দু’জন। বাকি আটজনই তৃণমূলে। এতদিন কোভিড বিধি থাকায় গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থা আনতে পারছিল না তৃণমূল। এখন সেই বিধি উঠে গিয়েছে। ফলে পঞ্চায়েতের দখল নিতে দ্রুত জেলাশাসকের কাছে আস্থাভোটের আর্জি জানাবে ঘাসফুল শিবির।
শুক্রবার তৃণমূলে যোগদানকারী প্রধানের নাম সঞ্জীব দাস। গাজোলে তৃণমূলের ব্লক অফিসে এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদহ জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর হেমন্ত শর্মা। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজোল ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানিকপ্রসাদ, সাধারণ সম্পাদক গৌর চক্রবর্তী, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিনা পারভিন, মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য সাগরিকা সরকার ও দীনেশ টুডু-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
হেমন্ত শর্মা বলেন, ‘‘রানিগঞ্জ অঞ্চল বিজেপি-র দখলে ছিল। সেখানে মোট আসন সংখ্যা ছিল ১০। তার মধ্যে তৃণমূলের ছিল দু’টি আসন, বিজেপি-র ছিল আটটি আসন। বিধানসভা নির্বাচনের পর চার জন পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন। শুক্রবার আরও দু’জন যোগ দিলেন। ফলে এ অঞ্চলের ১০টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের আটটি আসন ও বিজেপি-র দু’টি আসন হল।’’
যোগদানকারী সঞ্জীব দাস বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে ও উন্নয়ন দেখে আমি তৃণমূলে যোগদান করলাম। বিজেপি-তে থেকে আমি জনগণের জন্য সে রকম কাজ করতে পারছিলাম না।’’