Bridge Collapsed

ডাম্পারের ভারে শীতলখুচিতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল সেতু, ঘটনাস্থলে পুলিশ-প্রশাসন, যানজট এলাকায়

শীতলখুচি ব্লকের দেবনাথপাড়া এলাকায় সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় ভোগান্তির শিকার নিত্যযাত্রীরা। সিতাইয়ের সঙ্গে শীতলখুচির যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। শুক্রবার সকালে আচমকাই ওই সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৪
Share:

শীতলখুচিতে ভেঙে পড়া সেই সেতু। — নিজস্ব চিত্র।

হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কোচবিহারের শীতলকুচির একটি সেতু। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়েরা এসে দেখেন সেতুর একটা অংশ ভেঙে ঝুলছে নীচে। আর সেতুর উপর দাঁড়িয়ে একটা ডাম্পার। স্থানীয়দের দাবি, ডাম্পারের অতিরিক্ত ভারে ভেঙে পড়েছে সেতুটি। ঘটনার জেরে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

Advertisement

শীতলকুচি ব্লকের দেবনাথপাড়া এলাকায় সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় ভোগান্তির শিকার নিত্যযাত্রীরা। সিতাইয়ের সঙ্গে শীতলকুচির যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ওই সেতু। শুক্রবার সকালে আচমকাই সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সকালে ওই সেতুর উপর দিয়ে একটি ডাম্পার যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটির অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল। বার বার প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। পুলিশ-প্রশাসন সেতুটির বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখে। শুক্রবারের ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। তবে স্থানীয়েরা মনে করছেন, আরও বড়সড় বিপদ ঘটতেই পারত। দ্রুত সেতু সংস্কার এবং ভারী যান চলাচলের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলেছেন তাঁরা। সেতু ভেঙে পড়ায় যানজটের সৃষ্টি হয় ওই এলাকায়।

Advertisement

শীতলকুচির বিজেপি বিধায়ক বরেন বর্মণের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমি জেলার বাইরে রয়েছি। তবে বিষয়টি জানতে পেরেছি। সৌভাগ্যের বিষয় কোনও বড় বিপদ ঘটেনি। জেলাশাসকের দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’’ বরেন মনে করেন, এই দুর্বল সেতুটির জন্য আগে থেকেই আলাদা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ছিল জেলা প্রশাসনের।

তবে বিজেপি বিধায়কের দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। দলীয় মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায়ের দাবি, ‘‘ওটা ২৫ বছরের পুরনো সেতু। স্থানীয় প্রশাসন সেতুটিকে বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করে বোর্ডও টাঙিয়ে দিয়েছিল। তার পরেও ওই সেতুর উপর দিয়ে যাঁরা ভারী যানবাহন চালিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলেছিল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement