ফাইল চিত্র।
দল ক্ষমতায় এলেও নিজে বিধায়ক হয়ে জিততে না পারায় মন্ত্রী হতে পারলেন না। কিন্তু মানুষের দেখানো ‘লাল কার্ড’কে ‘সবুজ কার্ড’ করার কথা বললেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক গৌতম দেব।
প্রথমবার নির্বাচনে হারলেন। সোমবার সকালে যখন কলকাতায় দলের মন্ত্রীরা শপথ নিচ্ছেন, তখন শিলিগুড়িতে পুরসভার প্রশাসক হিসেবে শ্মশানের জমি পরিদর্শন, ডাম্পিং গ্রাউন্ড দেখতে গিয়েছিলেন গৌতম। কোন মন্ত্রী কী দফতর পেলেন তা তখনও খোঁজ নেননি। তবে শুভেচ্ছা জানান সকলকে। কয়েকদিন আগে অবধি গাড়ির সামনে জাতীয় পতাকা লাগানো থাকত। এ দিন আক্ষেপ করে বললেন, ‘‘আমি কোনওদিন লালবাতি ব্যবহার করিনি। দেখছিলাম যে গাড়িতে পতাকা লাগানো ছিল, এখন নেই।’’ তবে তার পরই আত্মবিশ্বাসের সুরে গৌতমের কথা, “মানুষ হয়তো আমাকে মন্ত্রী হিসেবে চায়নি। মানুষ লাল কার্ড দেখিয়েছে। লাল কার্ডকে হলুদ করব। তারপর ভবিষ্যতে সবুজ কার্ড করার চেষ্টা করব।”
পাশাপাশি, বিজেপিকে নিয়ে তিনি বলেন, “ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, শিলিগুড়িতে বিজেপির সাংসদও রয়েছেন। বিধায়কও রয়েছেন। পাহাড়ে বিজেপির বিধায়ক রয়েছেন। আশা করছি, উন্নয়নের বন্যা বইয়ে দেবেন তাঁরা। ৫ বছরে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে ৫০০ কোটি টাকা ও শিলিগুড়িতে ৩০০ কোটি টাকার কাজ তো করবেন। কারণ কেন্দ্রীয় সরকারকের কাছে এই টাকা কিছুই না।”
এ দিন গৌতম মহানন্দা নদী সংলগ্ন এলাকায় শ্মশানের জন্য জমি দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে শ্মশানঘাট তৈরির ব্যাপারে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বলেন। পরিদর্শনের পর জানান, শহরে একটি শ্মশান রয়েছে। সেখানে চাপ বাড়ছে। আরও দু’টি শ্মশানের প্রয়োজন শহরে। তাই জমি খোঁজ হচ্ছে। এর পর সেখান থেকে ডাম্পিং গ্রাউন্ড পরিদর্শনে যান গৌতম। বায়ো মাইনিংয়ের কাজ খতিয়ে দেখেন। পরে বলেন, ‘‘মাইনিংয়ের কাজ তিন ধাপে হচ্ছে। কত তাড়াতড়ি কাজ শেষ করা যায় দেখছি। এখানে গাড়ির শেডের ব্যবস্থা হবে। এতদিন খুব ধীরে কাজ হয়েছে। কর্মীদের জন্য বসার ব্যবস্থা-সহ টয়লেট ব্লক বানানো হবে। সমস্ত কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করার কথা বলেছি আধিকারিকদের।’’
(খবরটি প্রথম বার প্রকাশিত হওয়ার সময় ভুলবশত প্রতিবেদনে সিপিএম নেতা গৌতম দেবের ছবি বসানো হয়েছিল। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত।)