হেলমেট-মিছিল শহরে

হেলমেট পরে রাস্তায় হেঁটে শহরের ট্র্যাফিক ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবাদ জানালেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আইনজীবী, নাট্যকার সহ শিলিগুড়ির নাগরিকরা। রবিবার দুপুরে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম চত্বর থেকে নাগরিকদের মিছিল শুরু হয়। মিছিল যায় হাসমিচকে। সেখান থেকে বিধান রোড হয়ে ফের স্টেডিয়ামে গিয়ে মিছিল শেষ হয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ জুলাই ২০১৬ ০২:৪২
Share:

পথ নিরাপত্তার দাবি নাগরিকদের। ছবি: বিশ্বরূপ বসাক

হেলমেট পরে রাস্তায় হেঁটে শহরের ট্র্যাফিক ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবাদ জানালেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আইনজীবী, নাট্যকার সহ শিলিগুড়ির নাগরিকরা। রবিবার দুপুরে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম চত্বর থেকে নাগরিকদের মিছিল শুরু হয়। মিছিল যায় হাসমিচকে। সেখান থেকে বিধান রোড হয়ে ফের স্টেডিয়ামে গিয়ে মিছিল শেষ হয়। এ দিন স্টেডিয়ামের হলঘরে কনভেনশনও করে নাগরিক সমিতি। এক দিকে রাস্তায় বেপরোয়া বাইক চলাচল, অন্যদিকে রাস্তার দু’পাশ জুড়ে অটো-টোটো দাঁড়িয়ে থাকা, ফুটপাত দখল করে দোকান বসা সব মিলিয়ে শিলিগুড়ি শহরে পথচারীদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হাঁটাচলা করতে হয় বলে অভিযোগ। সেই ঝুঁকি বোঝাতেই এ দিন হেলমেট পরে তাঁরা মিছিলে সামিল হন বলে জানান। এ দিনের কনভেনশনে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ট্র্যাফিক আইনের কড়াকড়ি করে বেপরোয়া বাইক-গাড়ি চলাচল, অবৈধ পার্কিং রুখতে শহরের সব রাস্তায় ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা লাগানোর দাবি জানানো হবে পুলিশ-প্রশাসনকে। ফুটপাতের দখলদার উচ্ছেদ করার দাবিতেও লাগাতার আন্দোলন চালানো হবে বলে সমিতির তরফে জানানো হয়েছে।

Advertisement

এ দিন নাট্যকার পার্থ চৌধুরী, অধ্যাপক অজিত রায়েরা বলেন, ‘‘প্রশাসনের ওপরে নিয়মিত চাপ বজায় রাখা হবে। শিলিগুড়ি শহরে এখন যা পরিস্থিতি তাতে হাঁটতেই ভয় লাগে। সে কারণেই প্রতিবাদে নামতে বাধ্য হয়েছি। প্রতিবাদে নাগরিক সমাজের ভাল সাড়া মিলছে।’’এ দিনের কনভেনশনে ৪০ জন বক্তব্য রেখেছেন বলে জানা গিয়েছে। সকলেই ট্র্যাফিক বিধি কড়া ভাবে লাগু করতে প্রশাসনের ওপরে চাপ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন।

সম্প্রতি শিলিগুড়ির রাস্তায় বাইকের ধাক্কায় এক সমাজকর্মীর মৃত্যুর পরে শিক্ষক-অধ্যাপক-আইনজীবী সহ অনান্য পেশার বিশিষ্টজনেরা এক হয়ে প্রতিবাদের প্রস্তুতি শুরু করেন। এ দিনই ছিল সেই মঞ্চের প্রথম কনভেনশন। আগামী সপ্তাহেই প্রথমে মেয়র ও পরে শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। কনভেনশনে উপস্থিত দার্জিলিং জেলা লিগাল এইড ফোরামের সদস্য অমিত সরকার বলেন, ‘‘শহরের বড় রাস্তা, গলির রাস্তাতেও সিসি ক্যামেরায় নজরদারি চালাতে হবে। তাতে ট্র্যাফিক আইনভঙ্গকারীদের শনাক্ত করে কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে প্রশাসন।’’স্মারকলিপি দেওয়া ছাড়াও শহরের সর্বস্তরের বাসিন্দাদের একত্রিত করতে পথসভা, লিফলেট বিলি করবে নাগরিক কমিটি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement