দুলালের মনোনয়নে সঙ্গী হলেন মোয়াজ্জেম

মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুর ধাঁচেই মোয়াজ্জেম হোসেনকে সঙ্গী করে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন বিদায়ী ভাইস চেয়ারম্যান ও তৃণমূলের জেলা কার্যকরী সভাপতি দুলাল সরকার ওরফে বাবলা। বুধবার দুপুরে ইংরেজবাজারের কার্নি মোড়ের নিজস্ব কার্যালয় থেকে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে গিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রী চৈতালি সরকারও মনোনয়ন জমা দেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০১৫ ০৪:৩৬
Share:

মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুর ধাঁচেই মোয়াজ্জেম হোসেনকে সঙ্গী করে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন বিদায়ী ভাইস চেয়ারম্যান ও তৃণমূলের জেলা কার্যকরী সভাপতি দুলাল সরকার ওরফে বাবলা।

Advertisement

বুধবার দুপুরে ইংরেজবাজারের কার্নি মোড়ের নিজস্ব কার্যালয় থেকে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে গিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রী চৈতালি সরকারও মনোনয়ন জমা দেন। দুলালবাবু এই নিয়ে পাঁচ বার প্রার্থী হলেন। তার মধ্যে চার বার জয়ী হয়েছেন। তবে তাঁর আসনটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় ছেড়ে দিয়েছেন স্ত্রীকে। আর স্ত্রীর ২০ নম্বর ওর্য়াড থেকে লড়ছেন নিজে। তিনি বলেন, “গত চার বার মানুষ আমার প্রতি আস্থা রেখেছেন। তাঁদের পর্যাপ্ত পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এ বার আমার স্ত্রীর ওয়ার্ড থেকে আমি দাঁড়িয়েছি। আশা করি ওই ওয়ার্ডেরও মানুষ আমাকে সমর্থন করবেন।” তৃণমূলের জেলা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, “মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীদের মধ্যে যে উন্মাদনা দেখছি, তাতে পুরসভা নিজেদের দখলে রাখার বিষয়ে আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত।”

১৯৯৫ সাল থেকে ইংরেজবাজার পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ভোটে দাঁড়িয়ে জিতে আসছেন দুলালবাবু। ফলে এই ওয়ার্ডে প্রভাব রয়েছে তাঁর। সকাল থেকেই এই দম্পতি চষে বেড়াচ্ছেন এলাকা। এ দিন তাঁদের সঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দেন যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি অম্লান ভাদুড়ি, বিদায়ী কাউন্সিলার আশিস কুন্ডু ও সুমনা অগ্রবাল। বামফ্রন্ট সমর্থিত এক নির্দল দম্পতিও শেষ দিন মনোনয়ন জমা দেন। প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা বিদায়ী কাউন্সিলার নীহাররঞ্জন ঘোষ এ বার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রী গায়ত্রী ঘোষ ১৬ নম্বর ওর্য়াড থেকে লড়ছেন। এর আগেও নীহারবাবু বামফ্রন্টের সমর্থনে দু’বার নির্দল হয়ে দাঁড়িয়ে জিতেছিলেন। তিনি বলেন, “মানুষ যে আমার পাশে রয়েছে, তা বিগত পুরসভা নির্বাচনগুলিতে প্রমাণ পেয়েছি। তাই এবারও আশা করি মানুষ আমাদের সমর্থন করবে।” একই সঙ্গে বিজেপির দুই জেলা সাধারণ সম্পাদক মানবেন্দ্র চক্রবতী ও গোবিন্দ সরকারও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement