—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ইস্তফা দিতে চেয়ে প্রশাসনকে চিঠি পাঠালেন কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের সভাপতি হিরণ্ময় সরকার। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি মহকুমাশাসক (রায়গঞ্জ) তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। এর জেরে হেমতাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির পরে এ বার কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতিতেও অচলাবস্থার পরিস্থিতি তৈরি হল বলে দাবি।
মহকুমাশাসক (রায়গঞ্জ) তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘হিরণ্ময়বাবুর পদত্যাগপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সভাপতি, সহকারী সভাপতি ও কর্মাধ্যক্ষদের অভাবে হেমতাবাদ ও কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতিতে উন্নয়ন ব্যাহত হবে না।’’ হিরণ্ময় এ দিন ফোন ধরেননি, মেসেজের উত্তর মেলেনি।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার শিলিগুড়িতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুরসভা, পঞ্চায়েত, জিটিএ-তে যাঁরা অনৈতিক কাজ করেছেন এবং মানুষের মুখোমুখি হতে পারছেন না, তাঁদের থানায় আত্মসমর্পণ কিংবা প্রয়োজনে পদত্যাগ করার বার্তা দেন।
গত ৮ জুন হেমতাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের সভাপতি শম্ভু রায় ও সহকারী সভাপতি সাবিনা বেগমের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন সমিতির সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল সদস্যেরা। ওই দিনই শম্ভু ও সাবিনা ইস্তফা দেন। ৮ জুলাই প্রশাসন সমিতির সভাপতি ও সহকারী সভাপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেও পরে তা বাতিল করে দেয়। প্রশাসন জানিয়েছে, আপাতত জেলার কোনও গ্রাম পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড ভাঙার সরকারি নির্দেশ নেই। রাস্তা, আলো, পানীয় জল-সহ জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে সব রকম উন্নয়নের কাজ বজায় রাখতে হেমতাবাদ ও কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতিতে বিডিওকে প্রশাসকের পদে বসানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
বিজেপির জেলা সভাপতি নিমাইচন্দ্র কবিরাজ বলেন, ‘‘বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরে হেমতাবাদ ও কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের পদাধিকারীরা ইস্তফা দিয়ে সমিতি অচল করে সার্বিক উন্নয়নের কাজ বিঘ্নিত করছেন। কেউ দুর্নীতি করে ইস্তফা দিয়ে থাকলে প্রশাসন আইন মেনে ব্যবস্থা নিক।’’ অন্য দিকে, হিরণ্ময়, শম্ভু ও সাবিনার দাবি, তাঁরা স্বচ্ছ ভাবে সমিতি পরিচালনা করেছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে