Nagrakata School

সেতু ভেঙেছে গত বন্যায়, ভারী বর্ষণের মাঝে পড়ুয়াদের কাঁধে তুলে নদী পার করছেন নাগরাকাটার শিক্ষক-শিক্ষিকারা!

ডুয়ার্সের চেংমারি চা-বাগান এলাকার মানা লাইন গ্রামে বর্ষা মানেই দুর্ভোগ। স্কুলে যেতে প্রতি দিনই উত্তাল নদী পার হতে হয় খুদে পড়ুয়া থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ১৩:২০
Share:

এ ভাবেই চলছে স্কুলে যাতায়াত। —নিজস্ব চিত্র।

উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণ অব্যাহত। জলস্তর বাড়ছে নদীগুলিতে। সপ্তাহান্তের ভারী বৃষ্টিতে কয়েকটি সড়কে ধস নেমে যানচলাচলও ব্যাহত। তার মধ্যে জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় দেখা গেল কচিকাঁচা পড়ুয়াদের কাঁধে তুলে নদী পার করাচ্ছেন শিক্ষকেরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, বর্ষা এলে এ ভাবেই ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করতে হয় সেখানে।

Advertisement

ডুয়ার্সের চেংমারি চা-বাগান এলাকার মানা লাইন গ্রামে বর্ষা মানেই দুর্ভোগ। স্কুলে যেতে প্রতি দিনই উত্তাল নদী পার হতে হয় খুদে পড়ুয়া থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের। পড়ুয়ারা যাতে বিপদে না পড়ে, সে জন্য নদীর কাছে গিয়ে দাঁড়ান স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কাঁধে এবং কোলে তুলে পড়ুয়াদের নদী পার করিয়ে দেওয়া হয়।

গত দু’দিন ধরে ভুটান পাহাড়ে বৃষ্টিপাতের ফলে কালীখোলা নদীর জলস্তর হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে। তার আগে গত অক্টোবর মাসে ভয়াবহ বন্যায় ওই গ্রামের সঙ্গে লোয়ার চেংমারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংযোগকারী সেতুটি ভেঙে গিয়েছিল। তার পর থেকে গ্রামবাসী এবং স্কুলপড়ুয়াদের নদী পার হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বর্ষাকালে নদীর জল বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

Advertisement

প্রাথমিক স্কুলটির শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানাচ্ছেন, শিশুদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এই কাজ করে আসছেন তাঁরা। পড়ুয়াদের স্কুলে আসা থেকে ছুটির পর বাড়ি পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত সাহায্য করছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দারাও সহযোগিতা করেন। এ বার এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান স্থানীয়েরা। প্রশাসনের উদ্যোগী হোক, চাইছেন তাঁরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement