TMC

সম্মান না দিলে হুঁশিয়ারি সোনার

এ দিন বাড়িতে হরিরামপুরের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন সোনা। তারপরে কয়েক হাজার অনুগামী নিয়ে সভাও করেন।

Advertisement

নীহার বিশ্বাস 

শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২১ ০৯:৩৪
Share:

সভা: মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন সোনা পাল। নিজস্ব চিত্র

আর দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করব। তার মধ্যে দল যদি সসম্মানে ফিরিয়ে না নেয় তাহলে অন্য দলে যাওয়া নিয়ে ভাবব। শনিবার নিজের বাড়ির সামনে অনুগামীদের নিয়ে বৈঠক ও সভা করে এ ভাবেই তৃণমূল নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারি দিলেন হরিরামপুরের দাপুটে নেতা সোনা পাল। এ দিন বাড়িতে হরিরামপুরের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন সোনা। তারপরে কয়েক হাজার অনুগামী নিয়ে সভাও করেন। তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা সোনার ডাকে দলের পুরনো নেতাকর্মীদের ভিড় দেখে কার্যত ‘বেবাক’ জেলা নেতৃত্বও।
সোনার ডাকে এ দিনের সভায় হরিরামপুর ব্লকের বাগিচাপুর ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি অঞ্চলের প্রাক্তন সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পরে বিপুল কর্মী সমর্থকের উপস্থিতি দেখে হরিরামপুর বিধানসভায় সোনা যে ‘ফ্যাক্টর’ তা মানছেন দলের নেতাদের একাংশও। তৃণমূল জেলা সভাপতি গৌতম দাসও বলেন, ‘‘ওকে দলে ফেরানো নিয়ে আলোচনা চলছে।’’
এদিনের সভা থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানান সোনা। তাঁর দাবি, গত লোকসভা ভোটের পর বিপ্লব মিত্র অনুগামীদের নিয়ে যখন বিজেপিতে যোগ দেন, তখন তিনি দলে থেকে বেশ কয়েকজন জেলা পরিষদ সদস্য, পঞ্চায়েত সদস্য, কাউন্সিলরদের ধরে রেখেছিলেন। তার আক্ষেপ, এখন সেইসব ‘দলবদলু’ নেতা দলে ফিরে সম্মান পেলেও ‘দুর্দিনের সঙ্গী’ সোনাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারপরেও তিনি অন্যদলে যোগ দেননি।
এ দিন সভায় সোনা বলেন, ‘‘বিজেপি থেকে শুরু করে আব্বাস সিদ্দিকি আমাকে হরিরামপুরে প্রার্থী করার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু তারপরেও দল ছাড়িনি। ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তারপর সিদ্ধান্ত নেব।’’ রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে দলে নিজের গুরুত্ব বোঝাতেই এইভাবে সভা করে নিজের শক্তি জানান দিলেন সোনা। এখন তৃণমূল শিবির সোনাকে নিয়ে কি সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই দেখার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement