রসিকবিলে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ

চিতাবাঘের উপদ্রব ঠেকাতে বন দফতরের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ তুলে রসিকবিল মিনি জু’র গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। শনিবার সকাল ১০টা থেকে প্রায় এক ঘন্টা ওই বিক্ষোভ চলে। অভিযোগ, ওই ঘটনার জেরে রসিকবিল পর্যটন কেন্দ্রে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা বিপাকে পড়েন। তাঁদের কয়েকজন ঝুঁকি এড়াতে বাড়ি ফিরে যান।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০১৫ ০১:৫৪
Share:

চিতাবাঘের উপদ্রব ঠেকাতে বন দফতরের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ তুলে রসিকবিল মিনি জু’র গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। শনিবার সকাল ১০টা থেকে প্রায় এক ঘন্টা ওই বিক্ষোভ চলে। অভিযোগ, ওই ঘটনার জেরে রসিকবিল পর্যটন কেন্দ্রে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা বিপাকে পড়েন। তাঁদের কয়েকজন ঝুঁকি এড়াতে বাড়ি ফিরে যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তুফানগঞ্জ ২ পঞ্চায়েতের সমিতির সভাপতি স্বপন সাহা। বন কর্তাদের সঙ্গে স্বপনবাবুর মধ্যস্থতায় আলোচনার পর বিক্ষোভকারীরা তালা খুলে দেন। তারপরেই রসিকবিলের জনবসতি এলাকায় চিতাবাঘ ধরতে খাঁচা বসায় বন দফতর।

Advertisement

তুফানগঞ্জ ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন সাহা বলেন, “শুক্রবার চিতাবাঘের হামলায় একটি গরু জখম হওয়ায় বাসিন্দাদের আতঙ্ক বেড়েছে। কিছু লোকজন এসব নিয়ে ক্ষোভের জেরে রসিকবিল মিনি জু’তে তালাও ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। বনকর্তা ও বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এক ঘন্টার মধ্যে তালা খোলানোর ব্যবস্থা করেছি।” কোচবিহারের এডিএফও সুরেন্দ্র প্রসাদ শর্মা শনিবার বলেন, “রসিকবিলের জনবসতি এলাকায় ইতিমধ্যে খাঁচা বসান হয়েছে। রসিকবিল ও সংলগ্ন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও। আলোচনার মাধ্যমে কিছুক্ষণের মধ্যেই মিনি জু’র গেটের তালা খুলে দেওয়া হয়।” বন দফতর ও স্থানীয় সূত্রেই জানা গিয়েছে, প্রায় তিন মাস আগে রসিকবিল লাগোয়া আটিয়ামোচড় জঙ্গলে চিতাবাঘ ডেরা বেঁধেছে বলে প্রথম অভিযোগ ওঠে।

বাঁধের দাবি। নদী ভাঙন রোধে বাঁধের দাবি তুলেছেন তুফানগঞ্জের কৃষ্ণপুরের বাসিন্দারা। শনিবার নাটাবাড়ির বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ওই এলাকা পরিদর্শনে গেলে তাঁরা অভিযোগ করেন, গদাধর নদীর ভাঙনে ২০ বিঘা জমি বিলীন হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement