— প্রতীকী চিত্র।
শুধু কলকাতা নয়, রাজ্য জুড়েই নানা স্তরের তৃণমূল জন-প্রতিনিধি ও নেতাদের ধরপাকড় চলছেই।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে বোমাবাজির পুরনো অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার হয়েছেন জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শেখ শামসুল ইসলাম। নন্দীগ্রাম পুলিশ গ্রেফতার করে তাঁকে। শুক্রবার শামসুলকে হলদিয়া মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পুরনো একটি মামলায় এ দিন গ্রেফতার করা হয় হলদিয়া উন্নয়ন ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অশোক মাইতিকেও।
ঝাড়গ্রামের তৃণমূল পুর-প্রতিনিধি নবু গোয়ালা গ্রেফতার হয়েছেন তোলাবাজির অভিযোগে। বৃহস্পতিবারই পুরসভায় বিক্ষোভকারীরা ডিম ছুড়েছিল নবুকে। রাতে এক ব্যবসায়ী নবু-সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছিলেন। শুক্রবার ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হলে বিচারক নবুকে পাঁচ দিন পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
চাকরি দেওয়ার নামে তোলাবাজি ও সরকারি প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় মুর্শিদাবাদের রানিনগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূলের কুদ্দুস আলিকে। জেলারই ডোমকলে গ্রেফতার করা হয়েছে ব্লকের প্রাক্তন কোর কমিটির সদস্য বাসির মোল্লাকে।
এক মহিলাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন খাতড়ার এক তৃণমূল নেতা-সহ দু’জন। ধৃত রঞ্জিত করমোদক (কামা) খাতড়া বাজার এলাকার একটি বুথের তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। তিনি খাতড়া ১ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান। ধৃত আর এক জন হলেন জগন্নাথ সিংহ মোদক। শুক্রবার ধৃতদের খাতড়া আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে