মঙ্গলবার সকালে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালের কাছে অগ্নিকাণ্ড। ছবি: পিটিআই।
হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের ন্যাপথাবাহী পাইপলাইনে অগ্নিকাণ্ডে বাড়ল মৃতের সংখ্যা। বুধবার কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে হলদিয়ার শান্তি কলোনির বাসিন্দা মহিদুল ইসলামের (৩০)। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ খুঁজতে মুম্বই থেকে বিশেষজ্ঞ দল হলদিয়ায় পৌঁছেছে। পৃথক তদন্ত করছে জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবারের এই অগ্নিকাণ্ডে আগেই মানু বিবি নামে এক মহিলা মারা যান। আহতদের মধ্যে সাত জনকে হলদিয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের এ দিন কলকাতায় নিয়ে যান কারখানা কর্তৃপক্ষ। কলকাতার এসএসকেএম এবং অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে আগে থেকেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও কয়েক জন আহত।
অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এ দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত জানা যায়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তদন্তে মুম্বই থেকে বিশেষজ্ঞ দল হলদিয়া পৌঁছেছে। পাশাপাশি, মহকুমাশাসক (হলদিয়া) সুরভী সিংলা, কারখানা পরিদর্শক দেবায়ন দে-র নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের দল অগ্নিকাণ্ডের কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে এ দিন দেখা গিয়েছে, ফের যাতে আগুন না ছড়ায়, সে জন্য দমকলের কয়েকটি ইঞ্জিন পাইপলাইনে জল ঢালছে। শান্তি কলোনি থমথমে। কেউ যাতে সেখানে ধূমপান না করেন, রান্নার গ্যাস বা কোনও আগুন না জ্বালান, সে বিষয়ে মাইকে প্রচার করেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। তাঁদের তরফে এ দিন এলাকাবাসীকে রান্না করা খাবার দেওয়া হয়। ওই এলাকায় হলদিয়া-পাঁশকুড়া রেললাইনের বিদ্যুতের তারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিভাগীয় ইঞ্জিনিয়ারেরা তা মেরামত করেন।
প্রশাসনের দলটি আজ, বৃহস্পতিবার পরিদর্শনে যেতে পারে। কাল, শুক্রবারের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাছে তাদের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক প্রদীপকুমার বিজলী বলেন, ‘‘কারখানা কর্তৃপক্ষ সব রকম সহযোগিতা করছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশেআছি আমরা।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে