West Bengal Budget 2026

বিদ্যুতে চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার বার্তা

২০৩৫ সালের মধ্যে রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে হতে পারে ২৭ গিগাওয়াট। তামেটানোই উদ্দেশ্য।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ ০৮:২৭
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। তা পূরণে সোমবার রাজ্য বাজেটে চিরাচরিত এবং অপ্রচলিত, দু’ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদনেই জোর দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি জানালেন, শিল্পে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ জোগাতে তাঁরা সৌর বিদ্যুতের উৎপাদন এবং ব্যবহারে উৎসাহ দেবে। এই লক্ষ্য পূরণ করতে তৈরি হবে নীতি। সরকারি দফতরগুলিতে চালু হবে গ্রিড ভিত্তিক ওই বিদ্যুৎতৈরির ব্যবস্থা।

এ দিনের বাজেটে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হল, সাঁওতালডিহিতে সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে (পিপিপি) ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে হতে পারে ২৭ গিগাওয়াট। তামেটানোই উদ্দেশ্য।

এর পাশাপাশি, বক্রেশ্বর বাঁধে ২০০০ কোটি টাকা খরচ করে একটি বিরাট ভাসমান ‘ফটোভোল্টিক ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ় সিস্টেম’ গড়া হবে বলে জানা গিয়েছে। গোটা রাজ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা আরও পোক্ত করতে তৈরি হবে১৫টি নতুন ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন। ১২টি শহরে মাটির তলায় বিদ্যুতের তার বসবে। এ জন্য ২০০ কোটি টাকা।

অন্য দিকে, অপ্রচলিত শক্তিতে জোর দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প ‘সূর্যঘর’ রাজ্যে আরও বড় আকারে চালুর ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। এই অধীনে সাধারণ মানুষ বাড়ির ছাদে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে আর্থিক সাহায্য পান। যার অঙ্ক সর্বোচ্চ এককালীন ৭৮,০০০ টাকা। তফশিলি জাতি এবং জনজাতি পরিবারগুলি নির্দিষ্ট ভর্তুকির সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ৫০০০ টাকা পাবেন। এই খাতে বরাদ্দ হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। লক্ষ্য, ২ লক্ষ গ্রাহকের ঘরে পৌঁছনো। এই ধরনের একাধিক প্রকল্প-সহ গোটা বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের জন্য চলতি অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেটে বরাদ্দ মোট ৫৩৪৫ কোটি টাকা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন