পরিদর্শনে জেলাশাসক-সহ প্রশাসনের কর্তারা। (ইনসেটে) সেই ডে-কেয়ার সেন্টার। ছবি: শুভ্র মিত্র।
ঝটিকা সফরে আসা পর্যটকদের বিশ্রামের জন্য বিষ্ণুপুর শহরে ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ গড়ার কাজ শুরু হয়েছিল প্রায় দেড় দশক আগে। কিন্তু নানা টালবাহানায় আজও কাজ শেষ করতে পারেনি পর্যটন দফতর। মাস কয়েক আগে বাঁকুড়া জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে এসে বিষ্ণুপুরকে সাজিয়ে তোলার নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই ডে-কেয়ার সেন্টার দ্রুত চালু করতে উঠেপড়ে লেগেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবারই বাঁকুড়ার জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু, অতিরিক্ত জেলাশাসক পার্থ ঘোষ-সহ জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকেরা নির্মীয়মাণ ডে-কেয়ার সেন্টার পরিদর্শন করেন। পরে জেলাশাসক বলেন, “বেশির ভাগ কাজই শেষ হয়ে গিয়েছে। অল্প যা বাকি আছে, দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।’’
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, ২০০১ সালে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ডে-কেয়ার সেন্টারটি গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়। ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও অজ্ঞাত কারণে এটিকে ফেলে রাখা হয়েছিল। এ বার শৌচাগারের মেঝে-সহ বাকি টুকিটাকি কাজ দ্রুত সেরে ফেলে কেন্দ্রটি চালু করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে এমআইটি মোড় থেকে লালগড় প্রকৃতি উদ্যান পর্যন্ত একটি মোরাম বিছানো পথ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলেও প্রশাসন সূত্রের খবর। এর ফলে কলকাতার দিক থেকে আসা পর্যটকেরা মূল শহরের বাইরে দিয়ে জঙ্গলের শোভা দেখতে দেখতে বিষ্ণুপুরের পর্যটন ক্ষেত্রগুলি সহজেই ঘুরে দেখতে পারবেন। ঝটিকা সফরে আসা পর্যটকেরা ডে-কেয়ার সেন্টারে বিশ্রাম নিতে পারবেন। পাশাপাশি এমআইটি-লালগড় নতুন পথটি হলে বিষ্ণুপুর শহরের যানজটও কিছুটা কমবে বলে আশাবাদী বিষ্ণুপুর শহরের বাসিন্দারা।