সংগঠনের পোস্টার ছেঁড়া নিয়ে প্রতিবাদ

কলেজের গেটের বাইরে ছাত্র সংগঠনের পোস্টার ছেঁড়ার ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে হুড়া এলাকায়। ওই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের কয়েকজনের বিরুদ্ধে কুকথা বলারও অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:১৬
Share:

কলেজের গেটের বাইরে ছাত্র সংগঠনের পোস্টার ছেঁড়ার ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে হুড়া এলাকায়। ওই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের কয়েকজনের বিরুদ্ধে কুকথা বলারও অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার হিজলি ও আমলাতোড়া গ্রামের কিছু মানুষ হুড়ার বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও পুলিশের কাছে স্মারকলিপি দিলেন।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লালপুর কলেজের গেটের বাইরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কিছু পোস্টার লাগানো হয়। এবিভিপির অভিযোগ, আগে থেকেই সেখানে আটকানো এবিভিপির কিছু পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছিল। তাদের সংগঠনের কয়েকটি পোস্টারের উপরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পোস্টার লাগিয়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, দুই ছাত্র সংগঠনের ব্যানার ও পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগকে ঘিরে গত ২ সেপ্টেম্বর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছিল। লালপুরের এই কলেজের ছাত্র সংসদ রয়েছে এবিভিপিরই দখলে। গত বছর কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির সম্পর্ক তিক্ত। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মী সমর্থকদের অভিযোগ, রবিবার সকালে দেখা যায় তাদের সংগঠনের পোস্টার, ব্যানার রাতের অন্ধকারে কারা ছিঁড়ে দিয়েছে। এমনকী দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির নীচের অংশও কেটে দেওয়া হয়েছে।

সেই খবর পেয়ে কলেজের গেটের অদূরে তৃণমূলের লোকজন ভিড় করেন। এলাকায় উত্তেজনাও ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কলেজের গেটের অদূরে দাঁড়িয়ে এলাকার তৃণমূল নেতা প্রসেনজিৎ মাহাতো এবিভিপির কয়েকজনকে হুমকি দেন। তিনি কুকথা বলেন বলেও অভিযোগ। প্রতিবাদীদের বক্তব্য, হুমকি দেওয়ার বিষয়টি মানা যায় না। প্রশাসনের কাছে তাঁদের বক্তব্য লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। বিজেপির হুড়া ব্লক সভাপতি ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কলেজের গেটের বাইরে আমাদের পতাকা, ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপরে এলাকার একটি ধাবার কাছে দাঁড়িয়ে এবিভিপির কয়েকজনের নাম করে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এটা মানা যায় না।’’ অভিযুক্ত প্রসেনজিৎ মাহাতোর প্রতিক্রিয়ার জন্য তাঁর মোবাইলে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এমনকী তাঁর মোবাইলে এসএমএস করেও জবাব মেলেনি।

Advertisement

জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য তথা হুড়ার বাসিন্দা নরেন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘ঘটনাটি কানে এসেছে। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি আমাদের একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। আমি তাঁর কাছে জানতে চাইব ঘটনাটি ঠিক কী ঘটেছে।’’ এ দিন প্রতিবাদীরা হুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুভাষ মাহাতোর কাছেও স্মরকলিপি দেন। সুভাষবাবু বলেন, ‘‘কেউ যদি কুকথা বলে থাকেন সেটা কাম্য নয়। আমি গোটা ঘটনা সম্পর্কে খোঁজ নেব।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement