—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
তথ্যগ্রাহ্য অসঙ্গতির (এলডি) আওতায় থাকা ভোটারদের মধ্যে যাঁদের যোগ্যতা নির্ধারণ হচ্ছে, রাজ্য স্তরের কমিটিতে তাঁদের নিয়ে আলোচনা হলেই অতিরিক্ত (সাপ্লিমেন্টারি) তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। শনিবার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল। পাশাপাশি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ১২ সদস্যের ফুল বেঞ্চের সফরের আগে সার্বিক প্রস্তুতি দেখা হয়েছে।
ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকেও তৃণমূল অভিযোগ করেছে, সুপ্রিম কোর্ট বলার পরেও নিষ্পত্তি হওয়া সাড়ে আট লক্ষ ভোটারের তালিকা কমিশন প্রকাশ করছে না। এ প্রসঙ্গে সিইও বলেন, “এটির নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। সুপ্রিম কোর্ট যে রাজ্যভিত্তিক কমিটি গড়ে দিয়েছে, সেখানে সিদ্ধান্ত হয়ে গেলেই অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।” কমিশনের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের স্থির করে দেওয়া বিধির বাইরে কোনও কাজ করা সম্ভব নয়। ফলে বিচারকেরা যে কাজ করছেন, সেই কাজের ভিতর ঢুকছেও না কমিশন। কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিধি ও আদেশ মেনেই পদক্ষেপ করতে হচ্ছে বিচারকদের।
অন্য দিকে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নিযুক্ত বিচারকদের একাংশকে জরুরি ভিত্তিতে উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে নিয়োগ করার জন্য জেলা বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট প্রশাসন। জানানো হয়েছে, ১৩৮ জন বিচারককে ১০ মার্চ সকালে ওই চারটি জেলায় এসআইআর-এর কাজে নিয়োগ করতে হবে। সঙ্গে বিভিন্ন জেলায় বিধানসভা অনুযায়ী এসআইআর-এ কর্মরত বিচারকদের একটি বদলি তালিকাও দেওয়া হয়েছে। আগামিকাল, সোমবারের পরে সমস্ত রিপোর্ট হাই কোর্ট প্রশাসনকে জানানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন ৫০৫ জন বিচারক এই কাজ চালাচ্ছেন। তাঁদের ছুটি বাতিল হয়েছে। এমনকি, শনিবার ও রবিবারও কাজ করতে হবে। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে আরও প্রায় ২০০ জন বিচারক আসছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে