Indian Railways

মেমু রেক অমিল, ইএমইউ পরিষেবা ভাঙছে রেল

ইএমইউ রেকগুলিতে শৌচাগার না থাকায় শিয়ালদহ থেকে লালগোলা যাতায়াতের পথে বয়স্ক এবং মহিলা যাত্রীদের অনেকেই সমস্যার মুখে পড়ছিলেন বলে অভিযোগ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৫ ০৭:৫৮
Share:

ইএমইউ রেক দিয়ে গত কয়েক মাস যাবৎ শিয়ালদহ-লালগোলা পথে মেমু ট্রেনের পরিষেবা বজায় রেখেছিল শিয়ালদহ ডিভিশন। —প্রতীকী চিত্র।

বিশেষ স্বাচ্ছন্দ্যযুক্ত মেমু (মেন লাইন ইলেক্ট্রিক মাল্টিপল ইউনিট) রেক ছাড়াই লোকাল ট্রেনের ইএমইউ (ইলেক্ট্রিক মাল্টিপল ইউনিট) রেক দিয়ে গত কয়েক মাস যাবৎ শিয়ালদহ-লালগোলা পথে মেমু ট্রেনের পরিষেবা বজায় রেখেছিল শিয়ালদহ ডিভিশন। কিন্তু, ইএমইউ রেকগুলিতে শৌচাগার না থাকায় শিয়ালদহ থেকে লালগোলা যাতায়াতের পথে বয়স্ক এবং মহিলা যাত্রীদের অনেকেই সমস্যার মুখে পড়ছিলেন বলে অভিযোগ। রেলের কাছেও বিস্তর অভিযোগ জমা পড়েছিল।

প্রসঙ্গত, শিয়ালদহ এবং কলকাতা স্টেশন থেকে লালগোলা পর্যন্ত যাঁরা যাতায়াত করেন, তাঁদের অনেকেই প্রবীণ এবং তাঁরা মূলত শহরে আসেন এন আর এস মেডিক্যাল কলেজ এবং আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য। লালগোলা থেকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার ২৫০ কিলোমিটার যাত্রাপথে ইএমইউ ট্রেনে শৌচাগার না থাকায় ওই যাত্রীদের বড় অংশকেই দুর্বিষহ সমস্যা ভোগ করতে হচ্ছিল। এ দিকে, শিয়ালদহ ডিভিশনের কাছে এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত মেমু রেক নেই। পরিস্থিতি সামলাতে ৯টি শিয়ালদহ/ কলকাতা-লালগোলা প্যাসেঞ্জারের পরিষেবাকে দু’ভাগে ভেঙে দিচ্ছে রেল।

আগামী ৪ জুন থেকে এই ব্যবস্থায় শিয়ালদহ অথবা কলকাতা স্টেশন থেকে আগের মতোই ট্রেন ছেড়ে কৃষ্ণনগরে পৌঁছে প্রায় আধ ঘণ্টার বিরতি দিয়ে ওই ট্রেনই অন্য নম্বরের লোকাল ট্রেন হিসাবে লালগোলার উদ্দেশে যাত্রা করবে। রেলের দাবি, বিরতির এই সময়ে যাত্রীরা শৌচাগার ব্যবহার করা ছাড়াও সাময়িক বিশ্রামের সুযোগ পাবেন। মসৃণ সফরের জন্য মেমু রেকের বিকল্প নেই মেনে নিয়েই রেলকর্তাদের দাবি, এই ব্যবস্থাকে অন্তর্বর্তী সমাধান হিসাবে দেখছেন তাঁরা।

গত কুম্ভমেলার সময়ে শিয়ালদহ থেকে আটটি মেমু রেক প্রয়াগরাজে পাঠানো হয় বলে সূত্রের খবর। মেলা বহু দিন আগে মিটে গেলেও ওই সব রেক এখনও ফেরানো যায়নি। এই মুহূর্তে শিয়ালদহ ডিভিশনে মাত্র চারটি মেমু রেক পড়ে রয়েছে। যার একটি বিকল। চালু থাকা তিনটি মেমু রেকের একটি শিয়ালদহ থেকে সিউড়ি এবং অন্য দু’টি শিয়ালদহ থেকে গোড্ডা পথে ছোটে।

৪ জুন চালু হতে চলা ব্যবস্থায় লোকাল ট্রেন কৃষ্ণনগরে পৌঁছে সর্বাধিক ৩২ মিনিট বিরতি দেবে। এই ব্যবস্থাপনার কারণে ব্যারাকপুর এবং নৈহাটি থেকে শিয়ালদহগামী লোকাল ট্রেনের সময় বদল করতে হয়েছে। শিয়ালদহ এবং কলকাতা স্টেশন থেকে লালগোলা পর্যন্ত মেমু ট্রেনের পরিষেবা ফেরানোর দাবিতে ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে চিঠি দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন