প্রতীকী ছবি
ভিডিয়ো বিতর্কের পরে রাতারাতি বদলে গেল জলপাইগুড়ির কোভিড হাসপাতাল ও সেফ হোমের নিয়ম। এ দিন সকালে আর লুচি-তরকারি নয়, প্রাতঃরাশে রানিনগরের সেফ হোমে দেওয়া হল ডিম, কলা— জানিয়েছেন রোগীর পরিজনেরাই। অন্য দিকে, জলপাইগুড়ির কোভিড হাসপাতালে রোগীদের মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কঠোর হল স্বাস্থ্য দফতর। শনিবার জলপাইগুড়ি জেলার রোগী কল্যাণ সমিতির জরুরি বৈঠক শেষে করোনা মোকাবিলায় উত্তরবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ আধিকারিক (ওএসডি) সুশান্ত রায় বললেন, “অন্য ছবি কপি-পেস্ট করে কোভিড হাসপাতালের ছবি বলে চালানো হচ্ছে। এটা পূর্ব পরিকল্পিত। হাসপাতালের ভিতরে আইনত মোবাইল ব্যবহার করা যায় না। কঠোর ভাবে এই আইন মানা হবে। আমরা প্রশাসন-পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি।” এই সিদ্ধান্তের প্রবল বিরোধিতা করেছে জেলার বাম-কংগ্রেস শিবির।
সম্প্রতি জলপাইগুড়ির কোভিড হাসপাতাল এবং রানিনগরের সেফ হোমে দেওয়া খাবার ও স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে একাধিক ভিডিয়ো ভাইরাল হয় (আনন্দবাজার ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি)। তেমনই একটি ভিডিয়ো সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই বিতর্ক শুরু হয়। শুক্রবারও সন্ধ্যায় পানীয় জলের দাবিতে হাসপাতালের ঘর ছেড়ে বিক্ষোভ দেখান রোগীরা।
এ দিন বৈঠকে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান বিজয়চন্দ্র বর্মণ বলেন, “সমন্বয়ের অভাব ছিল। শুধরে নেওয়া হয়েছে। কোভিড হাসপাতালে ‘হঠাৎ পরিদর্শনের’ একটি দল তৈরি হয়েছে। রোগীদের খাবারের নমুনা রোজ জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে পাঠাতে হবে। পানীয় জলের সমস্যাও মিটেছে।”