—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
নিয়মিত ডিম-ভাত যদি না-ও জোটে স্কুল পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলে দরকারি প্রোটিনের ঘাটতি ঠেকানো নিশ্চিত করতে চাইছে রাজ্য সরকার। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে প্রাথমিকে মিড-ডে মিলের মাথা পিছু বরাদ্দ ৬ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে বাজেটে। উচ্চ প্রাথমিকের মাথা পিছু বরাদ্দ (১০টাকা ১৭ পয়সা) অবশ্য বাড়ছে না।
বেশ কয়েকটি শিক্ষক সংগঠন মনে করে, ছোটদের সুষম, পুষ্টিকর খাবার দিতে বরাদ্দ কমপক্ষে মাথা পিছু ১৫ টাকা হওয়া দরকার। কিন্তু প্রাথমিকের পড়ুয়াদের খাবারের এই বরাদ্দ বৃদ্ধিতে খিদে ও অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনেকটাই সুরাহা মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাজেটে বলা হয়েছে, কলকাতা পুরসভার এলাকার স্কুলে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করবে ইসকন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ইসকন খাওয়াবে রান্না করে। আপত্তি থাকলে হরে কৃষ্ণ বলবেন না। খুব ভাল খাবার, শুদ্ধ খাবার পাবেন!” তবে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি স্কুলে এ বার নিরামিষ খাবারই চালু হবে? ইসকনের কলকাতা শাখার ভাইস-প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বিষয়টি অস্বীকার করছেন না। তিনি বলছেন, ‘‘আমরা আমাদের রীতিমাফিক খাবারই দেব। তবে ডিমের থেকে প্রোটিন এবং পুষ্টি বেশি বই কম হবে না।’’
রাধারমণ বলেন, ‘‘ডিমের বদলে সয়াবিনের বড়ি, রাজমা এ সব দেব। ভাতের সঙ্গে রকমারি ডাল ও আনাজ মিলিয়ে ডালমাও থাকবে।’’ ডিমের দাম বাড়ায় এ রাজ্যের মিড-ডে মিলে ডিমের জোগান অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। অনেক স্কুলই সপ্তাহে দু’দিন ডিম দিতে পারে না। অনেকেই মনে করছেন, সে-ক্ষেত্রে ডিমের বদলে সয়াবিন বা রাজমা দিলে অন্তত ছোটদের প্রোটিনের জোগানে সমস্যা হবে না।
আবার এই প্রশ্নও উঠছে, সংস্কৃতিগত ভাবে ডিমের ঝোল-ভাত খেয়ে অভ্যস্ত বাংলার স্কুলপড়ুয়ারা উত্তর ভারতীয় রীতির রাজমা-ভাতে খুশি হবে তো? বাজেটে মিড-ডে মিলের রাঁধুনিদের ভাতাও ১০০০ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে