হাজিরা কম, রাতে অধ্যক্ষ ঘেরাও সেন্ট পলসে

রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার পুলিশ গিয়ে আটকে পড়া সকলকে বার করে নিয়ে যায়। সেই সময় ছাত্র-পুলিশ ধস্তাধস্তিও হয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ নভেম্বর ২০১৮ ০৩:৪৮
Share:

ফাইল চিত্র।

ফেস্ট নিয়ে গোলমাল থামতে না-থামতেই আবার হাঙ্গামা সেন্ট পলস কলেজে। ন্যূনতম হাজিরা না-থাকা সত্ত্বেও প্রথম সিমেস্টার পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার দাবিতে অধ্যক্ষ এবং অন্য শিক্ষকদের ঘেরাও করে সোমবার রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ দেখান ছাত্রছাত্রীদের একাংশ। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার পুলিশ গিয়ে আটকে পড়া সকলকে বার করে নিয়ে যায়। সেই সময় ছাত্র-পুলিশ ধস্তাধস্তিও হয়।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার কলেজের নোটিস বোর্ড লাগানো একটি তালিকাকে ঘিরে। পরীক্ষায় বসার জন্য যে-সব ছাত্রছাত্রীর ন্যূনতম হাজিরা রয়েছে, ওই তালিকায় তাঁদের নাম প্রকাশ করা হয়। দেখা যায়, তাঁদের সংখ্যা প্রায় ৯০। ৩০০-৪০০ পড়ুয়ার ওই তালিকায় জায়গা হয়নি বলে অভিযোগ। ক্ষিপ্ত ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার দাবিতে এ দিন অধ্যক্ষ এবং অন্যদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।

আন্দোলনের মুখে কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিস মণ্ডল ওই তালিকার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “এমন কোনও তালিকার কথা আমার জানা নেই। ওই তালিকায় কোথাও আমার সই অথবা সিলমোহরও নেই।” অধ্যক্ষ জানিয়ে দেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিয়ম হল, পরীক্ষায় বসতে হলে অন্তত ৬০ শতাংশ হাজিরা থাকতে হবে। যে-সব পড়ুয়ার তা নেই, তাঁদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া সম্ভব নয়। চয়েসড বেসড ক্রেডিট সিস্টেম (সিবিসিএস) বা পছন্দসই মিশ্র পাঠে এটাই নিয়ম।

Advertisement

পড়ুয়ারা বেশি রাতে সরে গেলেও জানিয়ে দিয়েছেন, আন্দোলন চলবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement