— প্রতীকী চিত্র।
বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বৈধ নথি হিসাবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা হবে না বলে আগেই জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাই শুনানিতে যে সব ভোটার শুধুমাত্র অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন, তাঁদের আবার নথি দিতে হবে। এমনটাই বলছে কমিশন।
এসআইআর-এর জন্য আগেই ১৩টি নথির কথা উল্লেখ করেছিল কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের বৈঠকে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসাবে গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। তার পরে সিইও দফতর থেকে এই মর্মে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে প্রস্তাব পাঠানো হয়। কিন্তু মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসাবে গ্রাহ্য করার প্রস্তাব খারিজ করে দেয় কমিশন।
এসআইআর-এর জন্য কমিশন যে ১৩টি নথির কথা বলেছে, সেগুলি হল—
১) কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার
২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি
৩) জন্মের শংসাপত্র
৪) পাসপোর্ট
৫) শিক্ষাগত শংসাপত্র
৬) ডোমিসাইল শংসাপত্র
৭) বনাধিকার শংসাপত্র
৮) জাতিগত শংসাপত্র
৯) জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে নাম
১০) বংশলতিকার শংসাপত্র
১১) সরকারের দেওয়া জমির নথি
১২) আধার কার্ড
১৩) বিহারের এসআইআর নথি।
নো-ম্যাপিং এবং এনুমারেশন ফর্মে তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের একাংশকে শুনানির জন্য ডাকছে কমিশন। শুনানিতে কমিশন নির্ধারিত নথির মধ্যে যে কোনও একটি দেখাতে হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে। তার পর সেই নথি খতিয়ে দেখবে কমিশন।