Sheikh Hasina

এ বার রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা! বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের দিন জানিয়ে দিল ঢাকার আদালত

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এক ভার্চুয়াল সভায় বক্তৃতা করেন হাসিনা। ওই বক্তৃতার সময়ে তিনি দেশবিরোধী মন্তব্য করেছেন বলে দাবি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা রুজু হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩২
Share:

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। — ফাইল চিত্র।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ বার রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় চার্জ গঠন করতে চলছে বাংলাদেশের আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে এই মামলার চার্জ গঠন করা হবে। এই মামলায় হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের ২৮৬ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। অন্য একটি মামলায় আগেই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ফাঁসির সাজা ঘোষণা করেছে সে দেশের ট্রাইবুনাল। এ বার রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাতেও চার্জ গঠন হতে চলেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

Advertisement

ছাত্রজনতার বিক্ষোভের জেরে ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট বাংলাদেশে পতন হয় হাসিনার সরকারের। ভারতে সাময়িক আশ্রয় নেন তিনি। বস্তুত, যে ঘটনার কারণে এই রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা রুজু হয়েছিল, সেই ঘটনাটি ঘটেছিল হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পরে। বাংলাদেশ ছাড়ার পরেও মাঝেমধ্যেই দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন হাসিনা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এমনই এক ভার্চুয়াল সভায় ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি গোষ্ঠীর উদ্দেশে বার্তা দেন তিনি। ব্রিটেন থেকে ওই ভার্চুয়াল সভার পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের নেতা রাব্বী আলম। দাবি করা হয়, আওয়ামী লীগের কয়েকশো নেতা-কর্মী ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দেন।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অভিযোগ, ওই ভার্চুয়াল বৈঠকেই দেশবিরোধী বক্তৃতা করেন হাসিনা। তাঁর ওই বক্তব্য সমাজমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসিনা-সহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা রুজু হয়। মামলায় অভিযুক্ত ২৫ জন বর্তমানে বাংলাদেশের জেলে বন্দি রয়েছেন।

Advertisement

২০২৪ সালের জুলাই-অগস্ট মাসে ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময় গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে হাসিনার বিরুদ্ধে। গত বছরই ওই মামলায় হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে বাংলাদেশের ট্রাইবুনাল। তাঁর ফাঁসির সাজা ঘোষণা করা হয়েছে ওই মামলায়। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও দোষী সাব্যস্ত করেছে ট্রাইবুনাল। তাঁকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হাসিনার মতো তিনিও পলাতক এবং ভারতে আশ্রয়ী। পরবর্তী সময়ে ঢাকায় প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলাতেও হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে বাংলাদেশের আদালত। ওই মামলাতেও তাঁর ২১ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement