US-Iran Conflict

‘লক্ষ্য শুধুমাত্র মার্কিন সম্পত্তির ক্ষতি করা’! সৌদি, আমিরশাহি, কাতার, জর্ডন, কুয়েতের মতো দেশে আক্রমণ নিয়ে বলল ইরান

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে প্রথমে হামলা চালায় ইজ়রায়েল। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় আমেরিকা। পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইরানও। তার পরই সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:২৪
Share:

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধ্বংস বাড়িঘর। ছবি: রয়টার্স।

উপসাগরীয় দেশগুলি নয়, তাঁদের লক্ষ্য শুধু মার্কিন ঘাঁটি এবং সম্পত্তি, এমন দাবি করলেন ইরানের উপ-বিদেশমন্ত্রী সঈদ খাতিবজ়াদেহ। তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরানের সামরিক অভিযান আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলর বিরুদ্ধে। প্রতিবেশী আরব দেশের কোনও ক্ষয়ক্ষতি করা উদ্দেশ্য নয়। ইরানের সামরিক হামলায় ওই সব দেশে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

Advertisement

সঈদ বর্তমানে নয়াদিল্লিতে রয়েছেন। রাইসিনা সম্মেলনে বক্তৃতা করার সময় তিনি পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক অভিযান কেবল মার্কিন সম্পদে কেন্দ্রীভূত। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের আক্রমণে আরব-বন্ধু বা প্রতিবেশী দেশগুলির কারও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি কেন জানেন? কারণ, আমরা শুধুমাত্র মার্কিন ঘাঁটি, সম্পত্তি এবং আবাসিক এলাকায় থাকা গোপন মার্কিন আস্তানাকেই নিশানা করছি।’’

ওয়াশিংটন বার বার দাবি করেছিল, আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে খাতিবজ়াদেহ জানান, ইরানের শাসন কাঠামো কোনও ব্যক্তি নির্ভর নয়, প্রতিষ্ঠান নির্ভর। তাঁর কথায়, ‘‘ইরান একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্ভর দেশ। তার একটি সংবিধান, দায়িত্ব বণ্টনের ব্যবস্থা রয়েছে। দেশে একটি বিচার বিভাগ, আইনসভাও রয়েছে।’’

Advertisement

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে প্রথমে হামলা চালায় ইজ়রায়েল। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় আমেরিকাও। যৌথ হামলায় প্রাণ হারান খামেনেই। পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইরানও। তার পরই সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। ইরান বিভিন্ন দেশে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র সহযোগে হামলা করে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, কাতার, ইরাক, তুরস্ক, বাহরিন, জর্ডন-সহ বিভিন্ন দেশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এর পর থেকে। মার্কিন দূতাবাসগুলিতে হামলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে।।

সেই সংঘাতের আবহে খাতিবজ়াদেহ স্পষ্ট জানান, মার্কিন ঘাঁটি বা সম্পদ ছাড়া আর কোথাও কোনও ক্ষতি চায় না ইরান। শুধু তা-ই নয়, আলোচনা চেয়ে আমেরিকাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে ট্রাম্প যে দাবি করছেন, তা-ও নস্যাৎ করেছে তেহরান। তারা বুঝিয়ে দিয়েছে, কোনও ভাবে আমেরিকার কাছে মাথা নত করবে না।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement