বাঁদরদেরও টাকার ভাগ

২০১১ সালে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ছবি তুলেছিলেন ব্রিটিশ ফোটোগ্রাফার ডেভিড স্লেটার। তাঁরই ক্যামেরা হঠাৎ হাতে পেয়ে নারুতো নিজের কয়েকটি ছবি তুলে নেয়। তুলেছিল তার পরিবারেরও কয়েকটি ছবি।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৭:১০
Share:

হাসিখুশি: নারুতোর সেই নিজস্বী

জঙ্গলের মধ্যে হাতে ক্যামেরা পেয়ে রীতিমতো দাঁত বার করে নিজস্বী তুলে ফেলেছিল বিলুপ্তপ্রায় ঝুঁটিওয়ালা প্রজাতির এক বাঁদর— নারুতো!

Advertisement

২০১১ সালে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ছবি তুলেছিলেন ব্রিটিশ ফোটোগ্রাফার ডেভিড স্লেটার। তাঁরই ক্যামেরা হঠাৎ হাতে পেয়ে নারুতো নিজের কয়েকটি ছবি তুলে নেয়। তুলেছিল তার পরিবারেরও কয়েকটি ছবি। স্লেটার সেই ছবি ছাপার পরেই বাঁদরের ওই নিজস্বীর স্বত্ব কার, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। স্লেটার দাবি করেন, ক্যামেরা তাঁর। তাই ছবির কপিরাইটও তাঁর। ২০১৫ সালে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ওই বাঁদরটির হয়ে আইনি লড়াই শুরু করেছিল পেটা। তাদের দাবি, ছবিগুলো থেকে যে অর্থ উঠবে, তার কিছুটা নারুতো নামে ওই বাঁদরটির স্বার্থে দিতে হবে স্লেটারকে। টানা দু’বছর ধরে ওই আইনি লড়াই চলার পরে একটি মীমাংসায় পৌঁছেছে দু’পক্ষই। ঠিক হয়েছে, ভবিষ্যতে ওই বাঁদরের ছবি থেকে যা আয় হবে, তার ২৫ শতাংশ যাবে সেই সব সংস্থার হাতে, যারা ইন্দোনেশিয়ার ঝুঁটিওয়ালা বাঁদরদের সংরক্ষণে কাজ করছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement