US-Iran Peace Deal

শান্তি আলোচনার সময় ইরানের বিদেশমন্ত্রী আর স্পিকারকে খুন করতে পারে ইজ়রায়েল! আশঙ্কা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন: সূত্র

ইরানকে সতর্ক করতে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিকে অনুরোধ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইম্‌স-এর একটি প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ০৮:৫৪
Share:

(বাঁ দিকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

ইরানের তরফে আমেরিকার সঙ্গে মধ্যস্থতা করা দুই আধিকারিককে হত্যা করতে পারে ইজ়রায়েল। একটা সময় পর্যন্ত এমনই আশঙ্কা করেছিল আমেরিকা। বিষয়টি সম্পর্কে ইরানকে সতর্ক করতে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিকে অনুরোধ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইম্‌স-এর একটি প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে।

Advertisement

প্রতিবেদন অনুসারে, ইজ়রায়েলের সম্ভাব্য নিশানায় থাকা ওই দুই ব্যক্তির এক জন হলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, অপর জন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। নিউ ইয়র্ক টাইম্‌স বেশ কয়েক জন প্রাক্তন এবং বর্তমান মার্কিন আধিকারিককে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, গত এপ্রিলে ওই দু’জনের উপর ইজ়রায়েল হামলা করতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিল আমেরিকা। ওই সময় থেকেই অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তির জন্য আলোচনায় বসেছিল আমেরিকা এবং ইরান। ট্রাম্প প্রশাসনের আশঙ্কা ছিল যে, ইরানের ওই দুই শীর্ষ আধিকারিকের উপর ইজ়রায়েল হামলা চালালে আলোচনাপ্রক্রিয়া ভেস্তে যাবে।

ওই প্রতিবেদনে মার্কিন আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করার পর তেহরানের অনেক শীর্ষ নেতাই নিশানায় ছিলেন। কিন্তু এপ্রিলে ইরানের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার পর মত বদলায় হোয়াইট হাউস। পেন্টাগনের আশঙ্কা ছিল যে, পুরনো কৌশল মেনে ইজ়রায়েল যদি আরাঘচি এবং ঘালিবাফকে হত্যা করে, তা হলে আলোচনা পুরো ভেস্তে যাবে।

Advertisement

ইরানের চরমপন্থী গোষ্ঠীভুক্ত রাজনীতিক বলে পরিচিত নন আলি লারিজানিও ইজ়রায়েলের বিমানহামলায় নিহত হয়েছিলেন। একটা সময় পর্যন্ত খামেনেইদের চরমপন্থী রাজনীতির বিরুদ্ধে ‘উদার এবং বাস্তববাদী’ লারিজানিকেই ইরানের ‘বৈধ’ প্রতিনিধি হিসাবে ভাবছিল আমেরিকা। কিন্তু ইজ়রায়েলি আক্রমণে সেই সম্ভাবনা ভেস্তে যায়। তার পরেই সতর্ক হয়ে যায় আমেরিকা। ঘটনাচক্রে, এখন আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে শান্তি সমঝোতা হয়েছে। তার পর ৬০ দিন আলোচনা করে দুই পক্ষ চূড়ান্ত শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করবে। নিউ ইয়র্ক টাইম্‌স-এর প্রতিবেদন নিয়ে অবশ্য কোনও পক্ষই এখনও প্রকাশ্যে মুখ খোলেনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement