Iran-US Conflict

আমেরিকাকে সাহায্যকারী পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির তৈলভান্ডার গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে! খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার পরই হুঙ্কার ইরানের

শনিবার সকালে ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, খার্গ দ্বীপে ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলিকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ১৪:১৪
Share:

পশ্চিম এশিয়ায় তৈলভান্ডারে হামলা ইরানের। ছবি: রয়টার্স।

আমেরিকাকে তেল দিয়ে সাহায্য করলে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির তৈলভান্ডারেও হামলা চালানো হবে। মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হবে সেগুলি। খার্গ দ্বীপে শনিবার আমেরিকা মুহুর্মুহু হামলা চালানোর পরই পাল্টা হুঙ্কার দিল ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

Advertisement

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া-র সদর দফতরের এক মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তাঁদের দেশের তৈলভান্ডারগুলিকে যদি নিশানা করা হয়, তা হলে তাঁরাও সেই পথে হাঁটবেন। পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকাকে সাহায্যকারী দেশগুলির তৈলভান্ডারেও হামলা চালানো হবে। প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় বেশ কিছু তৈলভান্ডার রয়েছে যেগুলি আমেরিকার মালিকানাধীন। আবার এমন কিছু তৈলভান্ডার রয়েছে যেগুলি আমেরিকা যৌথ ভাবে পরিচালনা করে। এই তৈলভান্ডারগুলিকেই এ বার মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল ইরান।

শনিবার সকালে ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, খার্গ দ্বীপে ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলিকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ওই হামলাকে পশ্চিম এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে জোরালো হামলা বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, ইরান যদি এখনও হরমুজ় প্রণালীকে অবরুদ্ধ করে রাখে, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তা হলে অনেক কিছুর বিনিময়ে এর খেসারত দিতে হবে তেহরানকে। তাদের তৈলভান্ডারগুলিকে নিশানা করা হবে।

Advertisement

ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ়-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, খার্গ দ্বীপে ১৫টি বিস্ফোরণ হয়েছে। তবে মার্কিন হামলায় কোনও তৈলভান্ডারের ক্ষতি হয়নি। সেনাঘাঁটি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নিশানা করে হামলা চালানো হয়েছে। নিশানা করা হয়েছে জোশেন সমুদ্রবন্দরকেও। এখানে হেলিকপ্টার এবং বিমান রাখার জায়গা (হ্যাঙ্গার) রয়েছে, সেগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্প নিজে খার্গ দ্বীপে হামলার ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ করে দাবি করেছেন, ‘‘জোরদার হামলা চালিয়েছে আমাদের সেনা।’’

ইরানের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই দ্বীপটি। হরমুজ় প্রণালী থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ইরানের ৯০ শতাংশ তেল রফতানি হয় এই খার্গ দ্বীপ থেকে। ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেল পৌঁছোতে ইরানের এই দ্বীপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement