— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
অনুমতি ছাড়া সমাজমাধ্যমে এমস দিল্লির নাম, প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করে কোনও ছবি বা লেখা প্রকাশ করা যাবে না। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মী থেকে শুরু করে পড়ুয়া, আবাসিক— সকলের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। এমস দিল্লি কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অবিলম্বে এই নিয়ম কার্যকর হবে।
কর্তৃপক্ষের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য এবং বার্তা আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে সমাজমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেখানে এমস দিল্লি নামের অপব্যবহার কিংবা অননুমোদিত উপস্থাপনা সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট বিষয়টি মাথায় রেখে নিয়ম জারি করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে রেজিস্ট্রার ও অধ্যাপক গিরিজা প্রসাদ রথ জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া, আবাসিক, সিনিয়র এবং জুনিয়র রেসিডেন্ট, চিকিৎসক, আধিকারিক, অধ্যাপক, শিক্ষক এবং কর্মীদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, চিকিৎসক সংগঠনকেও এই নিয়ম মেনে চলতে হবে।
এমস দিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের নাম বা প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করার জন্য আলাদা করে অনুমতি নিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত নিয়ম মেনে যদি কেউ কোনও ছবি, লেখা কিংবা পোস্টার তৈরি করে থাকেন, সে ক্ষেত্রে তাঁকে অনুমতি দেওয়া হবে। তবে, রোগীর তথ্য কিংবা ছবি এ ক্ষেত্রে কোনও ভাবে প্রকাশ করা যাবে না।
জানা গিয়েছে, এর জন্য আলাদা করে সমাজমাধ্যমে নজর রাখার ব্যবস্থাও করতে চলেছে এমস দিল্লি। নজরদারি চলাকালীন যদি বেনিয়মে তৈরি করা ছবি বা পোস্ট পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে সেই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। পোস্টদাতাকে বিজ্ঞপ্তি জারির ১২ ঘণ্টার মধ্যে সমাজমাধ্যম তা থেকে মুছে ফেলতে হবে।