— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞকে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার বলা হয়। তাঁরা আর্থিক লেনদেন এবং বিনিয়োগের মধ্যমে আয় বৃদ্ধির নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই যাঁরা এই পেশায় কাজ করেন, তাঁদের অর্থনীতি, অর্থের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম, বিধি এবং কৌশল জানতেই হয়। মাস্টার অফ বিজ়নেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) কোর্সের মাধ্যমে এই সব কিছু শিখে নেওয়ার সুযোগ মেলে।
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যাঁরা এমবিএ করেননি, অথচ এই পেশায় সুযোগ পাবেন কি না?
কী ভাবে?
ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার হতে আগ্রহীদের এমবিএ ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক নয়। অর্থনীতি, গণিত কিংবা বাণিজ্য বিভাগের বিষয়ে স্নাতক স্তরের কোর্স করেছেন— এমন ব্যক্তিরাও পরবর্তীতে ওই পেশায় যোগ দিতে পারবেন। তাঁদের যদি স্নাতকোত্তর স্তরে ফিনান্স বিষয়ে ডিগ্রি থাকে, সে ক্ষেত্রে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়।
কোন দক্ষতা থাকতে হবে?
আগ্রহীদের স্নাতক স্তর থেকেই ফিনানশিয়াল অ্যাকাউন্টিং, কর্পোরেট ফিনান্স, ভ্যালুয়েশন, এক্সেল ও পাওয়ারপয়েন্ট, ফিনান্সিয়াল মডেলিং নিয়ে আলাদা করে পড়াশোনা করতে হবে। এ ছাড়াও চার্টার্ড ফিনানশিয়াল অ্যানালিস্ট, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সিকিউরিটিজ় মার্কেট এবং ফিনানশিয়াল রিস্ক ম্যানেজার-এর শংসাপত্রও অর্জন করা জরুরি।
কাজের শুরু:
ব্যাঙ্ক কিংবা আর্থিক পরিষেবা বিভাগে অ্যানালিস্ট, অ্যাসোসিয়েট, ইকুইটি রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসাবে শুরু করা যেতে পারে। এতে আগ্রহীরা অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা— দু’টোই অর্জনের সুযোগ পাবেন। কেউ চাইলে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমেও কাজ শুরু করতে পারেন। ওই অভিজ্ঞতাও কাজে লাগে। তবে, স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং শংসাপত্র থাকলে অপারেশন বিভাগে দ্রুত পদোন্নতির সম্ভাবনা থাকে। দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের পরই ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কিং-এ সুযোগ পাওয়া যায়।
এমবিএ-এর পর এই পেশায় সরাসরি প্রবেশের সুযোগ পাওয়া যায়। তাই যাঁদের ওই ডিগ্রি নেই, তাঁদের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য একাধিক প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তবে, সঠিক ভাবে তা পূরণ করতে পারলে চাকরির সুযোগ যেমন থাকে, তেমনই বেতনের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও এই পেশায় চাকরির সুযোগ রয়েছে যথেষ্ট।