Bidhanshova Election 2026

মোদীজির অপছন্দে গান গাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল! দিদি গান লেখেন, বিষয়টি বুঝেছেন: বাবুল সুপ্রিয়

শুধুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নন, বিধানসভার অধ্যক্ষও প্রত্যেক অধিবেশনের পর গান গাওয়ার অনুরোধ জানান বাবুল সুপ্রিয়কে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ১৫:০১
গানে থাকবেন বাবুল সুপ্রিয়, রাজনীতিতেও।

গানে থাকবেন বাবুল সুপ্রিয়, রাজনীতিতেও। ছবি: ফেসবুক।

পেশা বলুন বা প্যাশন, মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় কেবল গানই বোঝেন। রাজনৈতিক পরিমণ্ডল সঙ্গীতদুনিয়ার আকর্ষণ কমাতে পারেনি। আজও গান ভালবেসেই গান তিনি। তাতে বাধা পড়লে? নিজেকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

Advertisement

২০১৪ সাল থেকে পাকাপাকি রাজনীতিতে। ২০২৬ সালে তিনি পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ। কেন্দ্র এবং রাজ্য— দুই তরফেই মন্ত্রিত্ব করেছেন। সাংসদপদেও ছিলেন। মার্চে রাজ্যসভা নির্বাচন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাবুলকে রাজ্যসভার প্রার্থী মনোনীত করেছেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই আনন্দবাজার ডট কম-এর প্রতিনিধি তাঁর মুখোমুখি। রাজ্যসভা না রাজ্যরাজনীতি— কোনটা লক্ষ্য বাবুল সুপ্রিয়ের? জবাবে তিনি বলেন, “সাধারণত লোকসভার সাংসদ হলে রাজ্যসভায় পা রাখা যায় না। আবার রাজ্যসভার সাংসদ লোকসভা কক্ষে যেতে পারেন না। মন্ত্রী কিন্তু উভয় কক্ষেই পা রাখতে পারেন। একাধিক বার মন্ত্রিত্বের সুবাদে আমি তাই উভয় কক্ষেই উপস্থিত থেকেছি। প্রশ্নোত্তরপর্বে যোগ দিয়েছি। ফলে, মনে হয় অসুবিধা হবে না।”

বাবুল কথা শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে। তাঁর কথায়, “দিদির স্নেহধন্য আমি। অনেক ভালবাসা পেয়েছি বলেই আইটি সেক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্ব সামলাতে পেরেছি। কাজ করতেও ভাল লেগেছে।” আরও একটি কারণে তিনি মন খুলে কাজ করতে পেরেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে গান গাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। ভাবী সাংসদের দাবি, “দিদি আমায় অবাধ গাওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। এটা আমার মন ভাল রাখার সেরা উপায়।”

এ প্রসঙ্গে তিনি ফিরে গিয়েছেন অতীতে। জানিয়েছেন, তিনি তখন কেন্দ্রে। একটা সময়ের পরে তাঁর গান গাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বাবুল বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী অপছন্দ করতেন। তাই কোনও ট্যুর, সাক্ষাৎকারের ফাঁকে কিংবা অনুষ্ঠানে আমার গাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই জন্য ২০১৭-য় ইস্তফা দিয়েছিলাম।” গায়ক-অভিনেতা-রাজনীতিবিদ উপলব্ধি করেছেন, ‘দিদি’ নিজে গান লেখেন বলে বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছেন, গাইতে না পারলে বাবুল ভাল থাকবেন না। তাই রাজনীতির পাশাপাশি আগের মতোই গানের দুনিয়ায় বিচরণের স্বাধীনতা পেয়েছেন শিল্পী।

বাবুল এ-ও জানান, শুধুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নন, প্রত্যেক অধিবেশনের পর লোকসভা এবং রাজ্যসভার অধ্যক্ষরাও তাঁকে গাওয়ার অনুরোধ জানাতেন। তিনি প্রত্যেক বার নিজের পছন্দের রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনিয়েছেন উপস্থিত প্রত্যেককে।

Advertisement
আরও পড়ুন