Jaya Bachchan

রাজ্যসভায় জয়ার ভূমিকা ঠিক কেমন, একসময় রেখাই বা কেমন ছিলেন, দু’জনের পার্থক্য কোথায়?

জয়া বচ্চন রাজ্যসভার সাংসদ। একসময় রেখাও রাজ্যসভায় সাংসদ ছিলেন। কিন্তু, তাঁদের দু’জনের মধ্যে ফারাক নাকি বিস্তর। দু’জনে ঠিক কেমন? রাজ্যসভার অন্দরের কথা জানালেন কংগ্রেসের রাজীব শুক্ল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:২১
রাজ্যসভার অন্দরে কেমন ব্যবহার জয়া ও রেখার?

রাজ্যসভার অন্দরে কেমন ব্যবহার জয়া ও রেখার? ছবি: সংগৃহীত।

বলিউডে রেখা ও জয়া বচ্চনের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে আলোচনা একটা সময় খবরের কাগজ থেকে ম্যাগাজ়িনগুলো পাতার পাতা খরচ করে এসেছে। দুই নারীর মাঝে দ্বন্দ্বের কারণ ছিল অমিতাভ বচ্চন। গুঞ্জন, রেখাকে নাকি বাড়িতে ডেকে রীতিমতো সাবধান করে দিয়েছিলেন জয়া। জয়া এখন রাজ্যসভার নির্বাচিত সাংসদ। বছর আটেক আগে রেখাও রাজ্যসভার সাংসদ (মনোনীত) ছিলেন। তখন রাজ্যসভার অন্দরে দু’জনের ভূমিকা ঠিক কেমন ছিল, জানালেন কংগ্রেসের রাজীব শুক্ল।

Advertisement

জয়া বচ্চন সমাজবাদী পার্টি থেকে প্রথম বার রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন ২০০৪ সালে। তার পর থেকে মোট পাঁচ বার তিনি ওই দলের রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত। ২০২৪ সালেও তিনি ওই দলের সাংসদ হিসেবে রাজ্যসভায় গিয়েছেন। রেখা অবশ্য ২০১২ সালে রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির মনোনীত সাংসদ হন। তাঁর কার্যকাল শেষ হয় ২০১৮ সালে। মূলত সেই সময় দু’জনের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেছেন রাজীব শুক্ল। তিনি জানান, জয়া নাকি বরাবর অকুতোভয়। দরকার পড়লে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে অন্য দলের নেতা-মন্ত্রী সকলকেই প্রায় ধমক দেন।

রাজীবের কথায়, ‘‘জয়াজি নিয়ম মেনে চলা মানুষ। কাউকে নিয়ম ভঙ্গ করতে দেখলেই গর্জে ওঠেন। তাঁর যা মনে থাকে, সেটাই তিনি মুখের উপরে বলে দেন। তিনি রেগে গেলে স্পিকারকেও বকে দেন। যদি কোনও জিনিস ভুল হচ্ছে বলে মনে করেন, তা হলে তিনি নির্ভয়ে তা বলে দেন মুখের উপরে।’’

অন্য দিকে, রেখা নাকি প্রতি অধিবেশনে মাত্র এক বারই হাজিরা দিতেন। তবে রেখা সময়ে আসতেন। রাজীব জানান, রাজ্যসভার অন্দরে কারও সঙ্গে তেমন কোনও কথা বলতেন না রেখা। অধিবেশন শেষ হলেই বেরিয়ে যেতেন।

তবে ওই ৬ বছরে অধিবেশন কক্ষে কখনও জয়ার সঙ্গে রেখার কথা হত কি না, বা নিদেনপক্ষে কুশল বিনিময়টুকুও হত কি না, সে সম্পর্কে রাজীব কিছু বলেননি। তবে রাজীব জানিয়েছেন, সাংসদ হিসেবে নিয়মমাফিক বরাদ্দ করা বাড়ি বা কোয়ার্টার রেখা নেননি।

Advertisement
আরও পড়ুন