Kamal Haasan Controvarsy

বিতর্কিত মন্তব্য করে সরকারি কোপে হাসন! ক্ষমা না চাওয়ায় কী ফল ভুগতে হচ্ছে অভিনেতাকে?

অভিনেতার দাবি, তামিল ভাষা কন্নড় ভাষার জনক। তাঁর এই দাবি মানতে নারাজ কর্ণাটকের মন্ত্রীও এবং হল মালিকেরা। অতঃকিম?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২৫ ১০:৪১
বেকায়দায় কমল হাসন।

বেকায়দায় কমল হাসন। ছবি: সংগৃহীত।

তিনিও ক্ষমা চাইবেন না। কর্নাটক সরকার তাঁকে সিধে করবেই! ‘ঠগস লাইফ’ মুক্তির আগে এ ভাবেই চর্চায় কমল হাসন। ছবির প্রচারে এসে এর আগে তিনি বলেছিলেন, “তামিল ভাষা কন্নড় ভাষার জনক।” শুনেই ফুঁসে উঠেছেন কন্নড় ভাষাভাষীর মানুষ। দাবি, ক্ষমা চাইতে হবে অভিনেতাকে। তিনিও মাথা নোয়াতে রাজি নন! পাল্টা বলেছেন, “আমি যদি মনে করি ভুল বলেছি, তখন ক্ষমা চাইব। তার আগে নয়।”

Advertisement

এই বক্তব্যর পরে অভিনেতাকে শাস্তি দিতে উদ্যত কর্নাটক সরকার। মন্ত্রী শিবরাজ টাঙ্গারাগীর ঘোষণা, কন্নড় ভাষা নিয়ে নিজের বক্তব্যের কারণে ক্ষমা না চাইলে এই রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে 'হে রাম' অভিনেতাকে। দেখানো হবে না তাঁর নতুন ছবি। এই ঘোষণা যে তাঁর একার নয়, সে কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী শিবরাজ। তাঁর মতে, কর্নাটকের ফিল্ম চেম্বার কমার্স এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর এই ঘোষণার পরেই সংগঠনের সভাপতি এম নরসিমহালু সংগঠনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে জানান, রাজ্যের হলমালিক এবং পরিবেশকেরা স্বতঃস্ফূর্ত জানিয়েছেন, তাঁরা কমল হাসনের নতুন ছবি দেখাতে রাজি নন। তাঁদের উপরে সংগঠন কোনও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়নি।

শনিবার সংগঠনের সভাপতি আরও জানান, বৃহস্পতিবার সংগঠন এবং হলমালিকদের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল অভিনেতাকে। লেখা হয়েছিল, ৩০ মে-র মধ্যে লিখিত ক্ষমা না চাইলে তাঁকে এবং তাঁর ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে। কমল এই চিঠির কোনও উত্তর দেননি। তাই শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে, আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিনেতাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সেই রাজ্যর ফিল্ম চেম্বার কমার্সের সভাপতি বলেন, "যত বড় খ্যাতনামীই হন, কর্নাটক রাজ্য, কন্নড় ভাষা, এখানকার অধিবাসী বা নদী নিয়ে কোনও বিরূপ মন্তব্য করলে আমরা ক্ষমা করব না।"

Advertisement
আরও পড়ুন