Neena Gupta

‘অনেকেই গর্ভপাত করাতে বলেছিলেন’, অপ্রত্যাশিত ভাবে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর কী অভিজ্ঞতা হয় নীনার?

আবার আলোচনায় উঠে এসেছে নীনার জীবনের পুরনো একটি ঘটনা। তখন তিনি সত্যিই অপ্রত্যাশিত ভাবে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬ ১৬:১৮
সত্যিই একসময় নীনা অপ্রত্যাশিত ভাবে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন!

সত্যিই একসময় নীনা অপ্রত্যাশিত ভাবে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন! ছবি: সংগৃহীত।

সম্প্রতি খবর ছড়িয়ে পড়ে, ৬৬ বছর বয়সে নাকি মা হতে চলেছেন নীনা গুপ্ত। সেই গুজব অবশ্য হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। বিষয়টি নিয়ে রসিকতাও করেছেন। তবে সত্যিই এক বার তিনি জীবনে অপ্রত্যাশিত ভাবে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন। সেই ঘটনা উঠে এসেছে আলোচনায়।

Advertisement

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাদা শাড়ি ও ব্লাউজ় পরে গিয়েছিলেন নীনা। নেটাগরিকেরা দাবি করেছিলেন, তাঁর স্ফীতোদর দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি হেসে উড়িয়ে দিয়ে অভিনেত্রী সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমি অন্তঃসত্ত্বা নই। আসলে সেই অনুষ্ঠানে যে শাড়ি পরেছিলাম, তার কাপড়টা একটু মোটা ছিল। তাই আমাকে একটু মোটা লাগছিল।”

এই মন্তব্যের পর আবার আলোচনায় উঠে এসেছে নীনার জীবনের পুরনো একটি ঘটনা। তখন তিনি সত্যিই অপ্রত্যাশিত ভাবে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন।

১৯৮৯ সালে নীনা জানতে পারেন, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। তখন তাঁর সম্পর্ক ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডস-এর সঙ্গে। তাঁরা বিয়ে করেননি। তাই সেই সময়ে সমাজে একাকী মা হওয়ার সিদ্ধান্ত খুব সাহসী পদক্ষেপ বলেই মনে করা হত। বছরের পর বছর নীনা এই সময়ের কথা খোলাখুলি বলেছেন। পুরনো এক সাক্ষাৎকারে নীনা তাঁর অতীতের সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছিলেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কি অতীতের সঙ্গীর উপর এখনও রাগ পোষণ করেন? নীনা উত্তর দিয়েছিলেন, “আমি মনে করি, কাউকে যদি সত্যি ভালোবাসেন, তা হলে তাঁকে ঘৃণা করা সম্ভব নয়। হয়তো একসঙ্গে থাকা সম্ভব হয় না, কিন্তু ঘৃণা কেন করব? আমি আমার প্রাক্তন প্রেমিকদের ঘৃণা করি না। আমার প্রাক্তন স্বামীকেও না।”

ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, “যদি কাউকে আমার এতই খারাপ লাগত, তা হলে কি আমি তাঁর সন্তানের মা হতাম? আমি কি পাগল?”

অপ্রত্যাশিত ভাবে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরে নানা লোকের নানা কথা শুনেছিলেন নীনা। তিনি বলেছিলেন, “কেউ আমাকে বলেছিল গর্ভপাত করাতে। আবার কেউ বলেছিল একা সন্তান বড় করা খুব কঠিন হবে। আমি সবার কথা ধৈর্য নিয়ে শুনেছিলাম। বাড়ি ফিরে নিজেকে প্রশ্ন করি। বুঝতে পারি, আসন্ন সন্তান নিয়ে আমি ভীষণ খুশি।”

Advertisement
আরও পড়ুন