Chaitra Sankranti Rituals

চৈত্র সংক্রান্তিতে কেবল নিরামিষ খেলেই হবে না, পাতে রাখতেই হবে বিশেষ এক খাবার! সঙ্গে পালন করুন তুলসীর এক টোটকা

চৈত্র সংক্রান্তির দিনে খাওয়া যেতে পারে বিশেষ কিছু জিনিস। এরই সঙ্গে তুলসীগাছে নির্দিষ্ট এক উপায় পালন করলে পরবর্তী বছর শুভ করে তোলা সম্ভব বলে বিশ্বাস।

Advertisement
বাক্‌সিদ্ধা গার্গী
শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১১
tulsi plant

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

যে কোনও বাংলা মাসের শেষ দিনটি বাঙালি হিন্দুরা সংক্রান্তি হিসাবে পালন করেন। চৈত্র সংক্রান্তির আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, এই দিনে শেষ হয় পুরনো বাংলা বছর। পরদিন থেকে শুরু হয় নববর্ষ। ২০২৬-এ ১৪ এপ্রিল পড়ছে চৈত্র সংক্রান্তি, ১৫ এপ্রিল শুরু হচ্ছে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩। চৈত্র সংক্রান্তির দিন সূর্য রাশিচক্রের প্রথম রাশিতে গমন করে। যদিও এর ব্যতিক্রম রয়েছে। চলতি বছরই চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন রাশি পরিবর্তন করে মেষে প্রবেশ করেছে সূর্য। চৈত্র সংক্রান্তি অন্যান্য সংক্রান্তির তুলনায় অধিক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই দিন বাংলা বছর শেষ হয়। বিশেষ এই দিনে খাওয়া যেতে পারে বিশেষ কিছু জিনিস। এরই সঙ্গে তুলসীগাছে নির্দিষ্ট এক উপায় পালন করলে পরবর্তী বছর শুভ করে তোলা সম্ভব বলে বিশ্বাস। সেগুলি কী, জেনে নিন।

Advertisement

চৈত্র সংক্রান্তির দিন কী খাওয়া নিষেধ এবং কী খাওয়া যেতে পারে?

  • চৈত্র সংক্রান্তির দিন প্রতিটি বাঙালি হিন্দুর নিরামিষ খাদ্যগ্রহণ আবশ্যিক। এই দিন বাড়িতে কোনও আমিষ খাবার প্রবেশ করানো বা গ্রহণ করা অনুচিত বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
  • চৈত্র সংক্রান্তিতে তেতো খেতে হয়। তা হলে সারা বছর সুস্থ থাকবেন। এমনই বিশ্বাস অনেকের। চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম খাবার তেতো ডাল। এটিই এই উৎসবের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত খাবার।
  • বিশেষ এই দিনে সজনে ডাঁটা খাওয়ারও চল রয়েছে। এ ছাড়া নিমপাতা ও চাল ভেজে একসঙ্গে খাওয়া চৈত্র সংক্রান্তির পুরনো ধারা। অনেকের ধারণা, এই খাবার খেলে সারা বছর সুস্থ থাকা সম্ভব।
  • এ দিন অনেক বাড়িতে নারকেলের নাডু বানানো হয়। অতিথি আপ্যায়নে চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম অনুষঙ্গ এই খাবার। চৈত্র সংক্রান্তিতে নকশীপিঠাও বানানো হয়।

তুলসীগাছের টোটকা:

চৈত্র মাসের শেষ দিন মাটির তৈরি একটা ছোট্ট ঘট নিন। তার পর সেটির নীচে একটা ছিদ্র করুন। সেটির গায়ে সিঁদুর দিয়ে মাঙ্গলিক চিহ্ন আঁকুন এবং বিজোড় সংখ্যায় সিঁদুরের ফোঁটা দিন। তার পর সেই ঘটে একটা সুপুরি এবং হরিতকি দিন। সুপুরিটির গায়েও একটা সিঁদুরের ফোঁটা দিন। তার পর দড়ি দিয়ে তুলসীগাছের গায়ে ঘটটি বেঁধে দিন। এ বার সেটির মধ্যে জল দিন। পুরো বৈশাখ মাস ঘটটি তুলসীগাছের গায়ে বেঁধে রেখে দিন যাতে ফোঁটা ফোঁটা করে তাতে জল পড়তে থাকে। ঘটের জল যেন কখনও শেষ না হয় সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন