ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
নিয়মিত ঘর মুছলে বাড়িঘর যেমন পরিষ্কার থাকে, তেমনই বজায় থাকে বাস্তুর লক্ষ্মীশ্রী। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রতি দিন ঘর মুছলে বাড়িতে লক্ষ্মীর বাস হয়। প্রায় প্রতিটা বাড়িতেই ঘর মোছার আগে ঝাড়ু দেওয়ার চল রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, ঘর মোছার সময় যদি কয়েকটা টোটকা মানা যায়, তা হলে খুবই উপকার পেতে পারেন গৃহস্বামী।
উপায়:
১) ঘর মোছার সময় সর্বদা সদর দরজার সামনের অংশ থেকে মোছা শুরু করতে হবে। তার পর বাড়ির অন্যান্য জায়গা মুছতে হবে। যেখান থেকে মোছা শুরু করা হয় সেখানেই এসে মোছা শেষ করতে হবে। অর্থাৎ, সদর দরজার সামনে থেকে মোছা শুরু করে শেষে এসে সেখানেই মোছা শেষ করতে হবে।
২) সূর্যাস্তের পর কখনও ঘর মুছতে নেই। এতে বাড়ির ভিতর নেগেটিভ শক্তি প্রবেশ করে।
৩) ব্রহ্মমুহূর্তে ঘর মোছা খুবই ভাল বলে মনে করা হয়।
৪) সব সময় সকালে ঘর মোছা উচিত। রাতে ঘর মুছলে পরিবারের সদস্যদের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায় বলে মনে করে জ্যোতিষশাস্ত্র।
৫) ঘর মোছার পর অবশিষ্ট নোংরা জল বাড়ির সঠিক জায়গায় ফেলতে হবে। সেই নোংরা জল কখনও বাড়ির দক্ষিণ বা পশ্চিম দিকে ফেলতে নেই। এর ফলে ঝগড়া-অশান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।
৬) শুক্রবার দিন ঘর মোছার জলে অবশ্যই নুন মিশিয়ে তার পর ঘর মুছুন। এই উপায়ে বাড়িতে ধনসম্পত্তি এবং শান্তির প্রবেশ হয়।
৭) ঘরের মেঝেতে ছেঁড়া চুল বা কোনও ময়লা পরে থাকলে দ্রুত ঘর মুছে ফেলা দরকার। পরিষ্কার-পরিছন্ন ঘরে সুখশান্তি বিরাজ করে।
৮) ঘর মোছার সময় হাত ঘড়ির কাটার দিকে ঘোরাতে হবে।
৯) বাড়িতে সুখশান্তি এবং সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করতে ঘর মোছার জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
১০) প্রতি দিন দুপুর ১২টার আগে ঘর মুছে ফেলার চেষ্টা করুন। তার পর ঘর না মোছাই ভাল বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র।