ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
পেঁচাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। ধনের দেবী মা লক্ষ্মীর বাহন হল পেঁচা। তাই বাড়িতে পেঁচার মূর্তি রাখলে বাড়ির বাসিন্দাদের জীবন মঙ্গলময় হয়ে ওঠে বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র। এতে মা লক্ষ্মী সন্তুষ্ট হন বলে বিশ্বাস করেন তাঁর ভক্তেরা। সেই সংসারে আশীর্বাদ বর্ষণ করেন তিনি।
পেঁচা অন্ধকারে দেখতে পায়। ঠিক এ ভাবেই আমাদের পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করেন মা লক্ষ্মী। খুব জটিল সময়েও যে কোনও আর্থিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সঠিক দিশা দেখান তিনি।
আবার, শিকারের পুরোটা খেয়ে নেয় পেঁচা। এর পর সহজপাচ্য অংশ শরীরের পুষ্টিতে কাজে লাগে। অপাচ্য অংশ (যেমন হাড়, দাঁত, পালক, লোম) উৎসেচকের সাহায্যের ভেঙে শরীর যতটা সম্ভব শোষণ করে। বাকিটা বর্জ্য হিসাবে বার করে দেয়। একই ভাবে, জীবনে ভাল-মন্দ নানা অভিজ্ঞতা হয় আমাদের। চলার পথে যে সব ভাল ঘটনা ঘটবে, সে সব দ্বারা আমরা নিজেদের সমৃদ্ধ করব। আর অসহনীয় ঘটনাগুলি থেকে ভালটুকু ছেঁকে নিয়ে বাকি অংশ বর্জ্য হিসাবে দূর করে দেবে জীবন থেকে, তাকে কোনও ভাবেই আমাদের মনে দাগ কাটতে দেব না। বাড়িতে পেঁচার মূর্তি থাকলে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদে আমরা এই মানসিক জোর অর্জন করি বলেই প্রচলিত বিশ্বাস।
পেঁচার ব্রোঞ্জের মূর্তি রাখাই সবচেয়ে কার্যকরী বলে বিশ্বাস। তবে, মাটির মূর্তিও রাখা যেতে পারে। মনে রাখবেন, জোড়া পেঁচা স্থাপন করলে তবেই শুভ ফল পাওয়া যায়। একটি মূর্তি রাখবেন না। বাস্তুবিদেরা জানাচ্ছেন, বাড়ির উত্তর-পশ্চিম দিকে এবং মূল দরজার দিকে মুখ করে পেঁচার মূর্তি রাখা সবচেয়ে ভাল। এই ভাবে শিকারি পাখির মতো বাড়িতে নেতিবাচক শক্তির প্রবেশে বাধা দেবে পেঁচা। পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করবে।