Cockroach Janta Party

‘কিঞ্চিৎ আপত্তিকর’! ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডল ব্লক না করার আর্জি খারিজ করে দিয়ে বলল দিল্লি হাই কোর্ট

কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ৬৯(এ) ধারায় সিজেপির হ্যান্ডলটি স্থগিত (ব্লক) করতে বলেছিল এক্স কর্তৃপক্ষকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১৫:৩৪
Delhi HC refuses to immediately restore X account of Cockroach Janta Party as content ‘slightly offensive’

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

নেটমাধ্যমে জন্ম নেওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক্স হ্যান্ডলে কিছু ‘কিঞ্চিৎ আপত্তিকর বিষয়বস্তু’ রয়েছে। শুক্রবার দিল্লি হাই কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে এ কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের তরফে তাঁর সংগঠনের এক্স হ্যান্ডলের উপর জারি করা সরকারি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের যে দাবি জানানো হয়েছিল, তা-ও খারিজ করেছে আদালত!

Advertisement

আম আদমি পার্টি (আপ)-র প্রধান অরবিন্দ কেজরীবালের প্রাক্তন সহযোগী অভিজিৎ চলতি মাসের মধ্যপর্বে নেটমাধ্যমে ‘প্যারোডি পার্টি’ সিজেপি গড়েছিলেন। এক সপ্তাহের মধ্যেই অনুসরণকারী (ফলোয়ার)-র সংখ্যার নিরিখে দেশের শাসক দল বিজেপির সঙ্গে টক্কর দিতে শুরু করে দিয়েছিল তারা। কিন্তু এর পরে সিজেপি-কে ‘জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক’ বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের (আইবি) রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়! আর সেই রিপোর্টকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ৬৯(এ) ধারায় সিজেপির হ্যান্ডলটি ‘ব্লক’ করতে বলেছিল এক্স কর্তৃপক্ষকে।

নয়াদিল্লির ওই বার্তার পরে ভারতে সিজেপির এক্স হ্যান্ডলটি ‘ব্লক’ করা হয়। এর পরেই প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিক ব্যঙ্গকে ঘিরে গড়ে ওঠা একটি অনলাইন আন্দোলনের উপর কেন এমন খড়্গহস্ত হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার? ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, তবে কি ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র সঙ্গে নামের সাযুজ্যের কারণেই নিশানা হল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’? পাশাপাশি, অভিজিৎ ‘নিষেধাজ্ঞা’র অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়ে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিজেপির এক্স পোস্টে কিছু ‘কিঞ্চিৎ আপত্তিকর বিষয়বস্তু’ রয়েছে জানিয়ে দিল্লি হাই কোর্ট বলেছে, ‘‘বিষয়টির সামগ্রিক পর্যালোচনার প্রয়োজন। সরকার এবং এক্স কর্তৃপক্ষের বক্তব্য শোনার পরই এ সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন