Narendra Modi

সামরিক সংঘাতে সমস্যার সমাধান হয় না! পশ্চিম এশিয়া এবং ইউক্রেন প্রসঙ্গে বললেন মোদী, পাশে ইউরোপীয় বন্ধুও

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলি শুরু থেকেই ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় সেই ইউরোপীয় জোটেরই এক নেতাকে পাশে নিয়ে মোদীর এই বার্তা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০৮
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার সংঘর্ষ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ভারতের অবস্থান ফের স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানালেন, সামরিক সংঘাতের ফলে কখনও কোনও সমস্যার সমাধান হয় না। পশ্চিম এশিয়া হোক বা ইউক্রেন, উভয় ক্ষেত্রেই ভারত স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পক্ষে।

Advertisement

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম সদস্যরাষ্ট্র অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ক্রিস্টিয়ান স্টোকার ভারত সফরে এসেছেন। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন মোদী। ওই বৈঠকের পরে বক্তৃতার সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজ গোটা বিশ্ব খুবই গুরুতর এক উত্তেজনাময় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।” এই পরিস্থিতি যে বিশ্বের সকলেই টের পাচ্ছে, সে কথাও উল্লেখ করেন তিনি। মোদী বলেন, “সামরিক সংঘাতের মাধ্যমে কোনও সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়— ভারত এবং অস্ট্রিয়া উভয়েই এ বিষয়ে একমত। আমরা চাই ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক।”

বস্তুত, যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে এটি ভারতের দীর্ঘদিনের ঘোষিত অবস্থান। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ হোক, বা ইরান-সংক্রান্ত উত্তেজনা— সব ক্ষেত্রেই সংঘর্ষের পথ ছেড়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের জন্য অতীতেও আহ্বান জানিয়েছে ভারত। গত মঙ্গলবার মোদীর সঙ্গে ফোনে কথা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সেই সময়েই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। এ বার ইউরোপীয় ইউনিয়নের বন্ধুকে পাশে নিয়ে নয়াদিল্লির অবস্থান ফের স্পষ্ট করে দিলেন মোদী। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলি শুরু থেকেই ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় সেই ইউরোপীয় জোটেরই এক নেতাকে পাশে নিয়ে মোদীর এই বার্তা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ইউরোপীয় জোটের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি সেরেছে ভারত, যদিও তা কার্যকর হয়নি। তার পরে অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলরের এই সফর আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর কথায়, অস্ট্রিয়ান চ্যান্সেলরের ভারত সফর বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাবে।

Advertisement
আরও পড়ুন