Tejashwi Yadav in Wheelchair

হুইলচেয়ারে চেপে বিহার বিধানসভার অধিবেশনে তেজস্বী, ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট গৃহত্যাগী দিদি রোহিণীর

গত বছর বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে আরজেডি-র শোচনীয় পরাজয়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘোষণা করে রাজনীতি ছাড়েন লালুপ্রসাদের অন্যতম কন্যা রোহিণী। সম্পর্ক ছিন্ন করেন যাদব পরিবারের সঙ্গেও।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:২১
(বাঁ দিকে) হুইলচেয়ারে চেপে বিহার বিধানসভায় তেজস্বী যাদব। রোহিণী আচার্য (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) হুইলচেয়ারে চেপে বিহার বিধানসভায় তেজস্বী যাদব। রোহিণী আচার্য (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে হুইলচেয়ারে চেপে বিধানসভায় গেলেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। বাঁ পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠে ব্যান্ডেজ বেঁধে বিধানসভায় যান তিনি। নিজেই জানান, সম্প্রতি পায়ের ওই আঙুলে চোট পেয়েছিলেন তিনি। ওই আঙুলের নখটি অস্ত্রোপচার করে তোলা হয় বলেও জানিয়েছেন তেজস্বী। তিনি বলেন, “হাঁটতে অসুবিধা হচ্ছিল। তাই হুইলচেয়ারে চেপেই বিধানসভায় এলাম।”

Advertisement

সোমবার দুপুরেই আবার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন তেজস্বীর গৃহত্যাগী এবং পরিবারত্যাগী দিদি রোহিণী আচার্য। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “শরীরের আঘাত যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। কিন্তু হৃদয়ে যখন আঘাত লাগে, তখন তা সহ্য করা যায় না।” পোস্টে কারও নাম না-করলেও মনে করা হচ্ছে ভাই তেজস্বীকেই নিশানা করতে চেয়েছেন লালুপ্রসাদ যাদবের এই কন্যা।

উল্লেখ্য, গত বছর বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে আরজেডি-র শোচনীয় পরাজয়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘোষণা করে রাজনীতি ছাড়েন রোহিণী। সম্পর্ক ছিন্ন করেন যাদব পরিবারের সঙ্গেও। রাজনীতি এবং পরিবার ছাড়ার পর একাধিক পোস্টে পরোক্ষে তেজস্বীর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকি গত ২৫ জানুয়ারি তেজস্বী সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি হওয়ার পর রোহিণী একটি পোস্টে লেখেন, “দলের নিয়ন্ত্রণ এখন চলে গিয়েছে অনুপ্রবেশকারী এবং ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে, লালুবাদকে ধ্বংস করাই যাদের একমাত্র লক্ষ্য!’’

বাজেট অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিহারের বিজেপি-জেডিইউ সরকারকে নিশানা করেন সে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী। রাজ্যপালের ভাষণে ভাল ভাল কথা বলা হলেও বিহারের বেশিরভাগ জায়গায় পর্যাপ্ত উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। নীতীশ কুমারকে নিশানা করে তেজস্বী বলেন, “২০ বছর ধরে উনি মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেও রাজ্যে খুন, ধর্ষণ, অপরাধের ঘটনা ঘটছে। আর সরকার বলছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক আছে!”

Advertisement
আরও পড়ুন