kerosene distribution

পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যে এ বার কেরোসিন বণ্টনে বিধিনিষেধ জারি কেন্দ্রের, কিন্তু নির্বাচনী প্রচারে ‘না’

কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি স্তরের এক আধিকারিক ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যের খাদ্য ও গণবন্টন দফতরের সচিবদের ওই নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ১৭:১৬
The Centre has imposed restrictions on the distribution of Superior Kerosene Oil in five polling-bound states including West Bengal

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ থাকায় ‘বিশুদ্ধ কেরোসিন তেল’ (সুপিরিয়র কেরোসিন অয়েল বা এসকেও) বরাদ্দের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তরফে জারি করা একটি সরকারি নির্দেশিকায় সংশ্লিষ্ট চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির প্রশাসনকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

Advertisement

কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি স্তরের এক আধিকারিক কেন্দ্রীয় ‘পেট্রোলিয়াম প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যানালিসিস সেল’-এর ডিরেক্টর জেনারেল এবং সংশ্লিষ্ট চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির খাদ্য ও গণবন্টন দফতরের সচিবদের পাঠানো ওই নির্দেশিকায় জানিয়েছেন, সরকার বা কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই এসকেও বরাদ্দ নিয়ে কোনও ধরনের নির্বাচনী প্রচার বা জনসমক্ষে মন্তব্য করতে পারবেন না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বিধানসভা ভোটের আগে আদর্শ আচরণবিধি জারি হওয়ায় ‘বিশুদ্ধ কেরোসিন তেল’ (এসকেও) বরাদ্দে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে কার্যকর এই নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারে সরকারি সুবিধার অপব্যবহার রুখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই কেরোসিন বন্টন ও সংরক্ষণে এই কড়াকড়ি। কেরোসিন বরাদ্দের মতো জনকল্যাণমূলক বা নীতিগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে। রান্না এবং হ্যারিকেন-লন্ঠনের মতো জ্বালানিতে ব্যবহারের পাশাপাশি মেলা, প্রদর্শনী, মৎস্যচাষ এবং প্রাকৃতির দুর্যোগ ও অতিমারির ক্ষেত্রে কেরোসিন বরাদ্দে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও বরাদ্দ করা কেরোসিন যাতে নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত গাড়িকে পেট্রল-ডিজেলের সঙ্গে মেশানোর কাজে ব্যবহার করা না-হয়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ও গণবন্টন দফতরের সচিবদের।

Advertisement
আরও পড়ুন