ঘরোয়া কোন কোন ফেসপ্যাক থেকে পাওয়া যাবে নিয়াসিনামাইড? ছবি: ফ্রিপিক।
উজ্জ্বল, দাগহীন এবং স্বাস্থ্যকর ত্বক পেতে নানা রকম প্রসাধনী ব্যবহারের চল হয়েছে এখন। কেউ করাচ্ছেন ত্বকের বোটক্স, আবার কেউ সাহায্য নিচ্ছেন লেজ়ার থেরাপির। ত্বকের এই নানা থেরাপির যুগে সবচেয়ে আলোচিত নাম হল নিয়াসিনামাইড। এটি এমন উপাদান যা সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযুক্ত। তৈলাক্ত ত্বক হোক বা স্পর্শকাতর, বয়সের ছাপ দূর করতেও নিয়াসিনামাইড জরুরি। তাই নিয়াসিনামাইড আছে এমন ক্রিম, সিরাম বা প্রসাধনী কেনার চল হয়েছে এখন। তবে বাজারচলতি প্রসাধনীতে রাসায়নিকের বাড়বাড়ন্ত। সে কারণে ঘরোয়া উপকরণই ভাল। তা থেকেও নিয়াসিনামাইড পাওয়া যেতে পারে।
নিয়াসিনামাইড হল ভিটামিন বি৩ যা ভিতর থেকে ত্বককে ভাল রাখে। কোষের পুনর্গঠনের কাজও করে। ত্বকে যৌবনের জেল্লা ধরে রাখতে নিয়াসিনামাইডের প্রয়োগ বেশি হয়। বাজারচলতি ক্রিম বা সিরাম যাঁরা ব্যবহার করতে চান না, তাঁরা ঘরোয়া উপকরণ থেকে প্রাকৃতিক ভাবেই পেতে পারেন নিয়াসিনামাইড। তার জন্য কী কী ব্যবহার করতে হবে?
জাপানি পদ্ধতিতে রাইস ফেসপ্যাক
চাল সেদ্ধ করে নিতে হবে। তার পর তা ভাল করে বেটে নিন। বেঁচে যাওয়া ভাতও ব্যবহার করতে পারেন। এর সঙ্গে ১ চামচ মধু ও সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখে মেখে মিনিট ২০ রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই ফেসপ্যাক প্রাকৃতিক নিয়াসিনামাইডের ভাল উৎস।
মাশরুম ডিটক্স মাস্ক
শুকনো মাশরুমগুঁড়ো ১ চামচ ও কিছুটা গোলাপজল নিতে হবে। মাশরুমগুঁড়ো ও গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। সেটি মুখে ও হাতে মেখে আধঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে থাকা নিয়াসিন সরাসরি ত্বকের কোষে পৌঁছোবে।
ডিমের কুসুম ও লেবুর প্যাক
ডিমের কুসুমে প্রাকৃতিক ভাবেই নিয়াসিনামাইড থাকে। ১টি ডিমের কুসুমের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন। গন্ধ এড়াতে সামান্য গোলাপজল মেশাতে পারে। এই ফেসপ্যাক ভিটামিন বি সমৃদ্ধ ও তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ-র্যাশের সমস্যা দূর করবে।
আলুর রস ও বেসন
আলুর রস ত্বকের কালো ছোপ দূর করে। ১ চামচ আলুর রসের সঙ্গে ১ চামচ বেসন মিশিয়ে মুখে মাখতে পারেন। এটি ক্লিনজার ও নিয়াসিনামাইড বুস্টার হিসেবে কাজ করবে।