একঘেয়ে স্যুপ নয়, ভিন্ন স্বাদের তিন প্রণালী রইল। ছবি: ফ্রিপিক।
বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ঘরে ঘরে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা আর ফ্লু-এর উপদ্রব লেগেই থাকে। এই সময়ে শরীর ভাল রাখতে ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে খেতে পারেন গরম গরম স্যুপ। স্বাদবদল করতে একঘেয়ে স্যুপ নয়, তা বানিয়ে ফেলুন নতুন রকম পদ্ধতিতে।
রোস্টেড পাম্পকিন অ্যান্ড গার্লিক স্যুপ
মিষ্টি কুমড়ো ভিটামিন-এ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কুমড়োর স্যুপ বানাতে পারেন অন্য রকম ভাবে। কড়ায় সামান্য তেল দিয়ে মিষ্টি কুমড়োর টুকরো, পেঁয়াজ এবং খোসা না ছাড়ানো গোটা রসুন হালকা রোস্ট করে নিন। এ বার রোস্টেড কুমড়ো, পেঁয়াজ ও রসুন মিক্সিতে দিয়ে সামান্য জলসহ একটি মসৃণ পেস্ট বানিয়ে নিন। কড়ায় মাখন গরম করে মিশ্রণটি ঢেলে দিন। পরিমাণ মতো জল, নুন ও গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে ফোটান। নামানোর আগে সামান্য দুধ ও অরিগ্যানো ছড়িয়ে দিন।
রাগি-সব্জির স্যুপ
প্যানে ঘি গরম করে তাতে একটি তেজপাতা ও রসুনকুচি দিয়ে নাড়ুন। হালকা সতেঁ করে নিয়ে তাতে গাজর, বিন্স, ফুলকপি ও কড়াইশুঁটি দিয়ে দিন। ভাল করে নাড়াচাড়া করে ঢেকে বসিয়ে দিন ৮-১০ মিনিট। সব্জিগুলি যেন ভাল করে ভাজা হয়, তা হলে স্বাদ ভাল লাগবে। এ বার তাতে রাগি মিশিয়ে জল দিন। স্যুপ ফুটতে শুরু করলে তাতে ডিম মিশিয়ে দিতে হবে। ভাল করে ফুটে গেলে গোলমরিচ ছড়িয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করুন।
শরীর ভাল রাখতে কী কী স্যুপ খাবেন?
টম্যাটো-তুলসির স্যুপ
৫টি পাকা টম্যাটো নিয়ে ভাল করে ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন। একটি গোটা পেঁয়াজ কুচিয়ে নিন, সঙ্গে ৩-৪ কোয়া রসুন। কড়াইতে এক চামচ অলিভ তেল বা সাদা তেল দিয়ে আগে পেঁয়াজ ও রসুনকুচি ভেজে নিন। বেশি ভাজবেন না, এতে স্যুপ তেতো হয়ে যাবে। এ বার টম্যাটোগুলি দিয়ে ভাল করে নেড়ে নিন। সামান্য নুন ও মিষ্টি দিয়ে ঢেকে বসিয়ে দিন। টম্যাটো গলে গেলে উপর থেকে গোলমরিচ, তুলসি পাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। স্যুপে ক্রিম দিলে ভাল হয় খেতে। তবে যদি ক্রিম দিতে না চান, সে ক্ষেত্রে কাঠবাদাম ভিজিয়ে বেটে মিশিয়ে দিতে পারেন।