ছোট্ট বারান্দাই হয়ে উঠুক স্বপ্নের বাগিচা, বর্ষার মরসুমেই শুরু হোক সবুজায়নের পদক্ষেপ

বারান্দা ছোট হোক, তবে সদিচ্ছা থাকলে সেখানেই হতে পারে সবুজায়ন। একফালি বারান্দাকে কী ভাবে করে তুলবেন শখের বাগিচা?

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ ২০:২৪

বারান্দা ছোট হোক। রোদ আসুক বা না আসুক, ইচ্ছা থাকলে, সেখানেই তৈরি হতে পারে স্বপ্নের বাগিচা। শুরু হোক সহজ ভাবেই।

Advertisement

বারান্দা যদি দক্ষিণ খোলা হয়, পূব বা পশ্চিম কোনও এক দিকের রোদ পড়ে, তা হলে কোনও ভাবনাই নেই। যে অংশে রোদ আসে সেই জায়গাটি বেছে নিন গাছ বসানোর জন্য। প্রাথমিক ভাবে নার্সারি থেকেই চারা কিনে নিন।

· প্রথম ধাপে আনুন এমন গাছ, যা স্বল্প পরিচর্যাতেই বেড়ে ওঠে। কারণ, গাছের পরিচর্যা অভিজ্ঞতা দিয়েই শিখতে এবং বুঝতে হয়। পুদিনা, তুলসী, লঙ্কা গাছ, ধনেপাতার গাছ— এগুলির জন্য খুব বেশি পরিচর্যার দরকার হয় না।

· বর্ষার মরসুমে জবা, বেল, জুঁই ফুলের গাছও কিনে আনতে পারেন। নয়নতারার মতো গাছও খুব সহজে বেড়ে ওঠে।

· বাগানে আলোর অভাব থাকলে বেছে নিতে পারেন লতানে গাছ। কায়দা করে দড়ির সাহায্যে গাছের ডালপালাগুলি যাতে প্রসারিত হয়, তা দেখতে হবে। অপরাজিতা, মর্নিং গ্লোরির মতো গাছ বেছে নিতে পারেন।

· বারান্দা ছোট হলে লোহার খাঁচা বানিয়ে নিন দেওয়ালে। সেখান থেকে টব ঝুলিয়ে দিন। উল্লম্ব বাগান করলেও জায়গা বাঁচবে।

পরিচর্যার প্রাথমিক শর্ত

গাছ মাটি থেকে রস শোষণ করে বেঁচে থাকে। মাটিতে পুষ্টির অভাব হলে বা জল জমলে গাছের বৃদ্ধি হবে না। তা ছাড়া গোড়া পচে যেতে পারে। নার্সারি থেকে গাছ আনলে, গোড়ার মাটি খুঁড়ে আলগা করে দিন। মিশিয়ে নিতে পারেন কোকোপিট বা জৈব সার।

জল দিতে হবে বুঝে। টবের উপরিভাগের মাটি শুকিয়ে গেলে তবেই জল দিন। বৃষ্টিতে গাছ ভিজলে আলাদা করে জল দেওয়ার দরকার পড়বে না। তবে টবের জলনিকাশি ব্যবস্থ উপযু্ক্ত হওয়া জরুরি। বৃষ্টির জল যেন টবের নীচের ছিদ্র দিয়ে পুরোপুরি বেরিয়ে যায়।

Advertisement
আরও পড়ুন