আইপিএলে নজরে থাকবে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। — ফাইল চিত্র।
পরের বছর এক দিনের বিশ্বকাপ রয়েছে। তার দেড় বছর আগেই ২০ জনের সম্ভাব্য দল বেছে রেখেছেন নির্বাচকেরা। অর্থাৎ ২০ জনকে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে যাঁদের দলে নেওয়া হবে। তাঁদের উপরেই আইপিএলে নজর রাখা হবে। এমনই জানা গিয়েছে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ণশক্তির দল নামাবে ভারত।
নির্বাচকদের কমিটির সদস্যেরা যে যেখানে থাকেন, তাঁর আশেপাশের মাঠগুলিতে ম্যাচ দেখবেন। সেখানেই নজর রাখবেন সম্ভাব্য ক্রিকেটারদের প্রতি। সেই হিসাবে কলকাতা থেকে ম্যাচ দেখার কথা শিবসুন্দর দাসের।
আগরকর মুম্বইয়ের, আরপি সিংহ এবং অজয় রাতরা দিল্লির এবং প্রজ্ঞান ওঝা বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদের ম্যাচ দেখবেন। সংবাদ সংস্থাকে বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, “বোর্ড চাইছে, প্রত্যেক নির্বাচক সপ্তাহে অন্তত একটি আইপিএলের ম্যাচ মাঠে গিয়ে দেখুন। তা হলে এক সপ্তাহে পাঁচ জন নির্বাচক পাঁচটি ম্যাচ দেখবেন। এ ছাড়া টিভিতে তো ম্যাচ দেখতেই পারেন।” পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং অলিম্পিক্স অনেকটাই দূরে। জানা গিয়েছে, যে ২০ জনকে এক দিনের বিশ্বকাপের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে, এ বারের আইপিএলে তাঁদের দিকেই নজর রাখা হবে। পাশাপাশি কোনও নতুন তারকা উঠে এলে তাঁকেও চিহ্নিত করা হবে।
৬-১০ জুন মুল্লানপুরে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট খেলবে ভারত। সেটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্গত নয়। তবু শক্তিশালী দল নামাবে ভারত। প্রথম সারির সব ক্রিকেটারেরাই খেলবেন। অগস্ট থেকে মার্চের মধ্যে ন’টি টেস্ট রয়েছে। তাই আফগানিস্তান ম্যাচকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। জসপ্রীত বুমরাহ এবং মহম্মদ সিরাজদেরও খেলার কথা। বোর্ডকর্তার ব্যাখ্যা, “টেস্টের টুপি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নয়। তার জন্য ‘এ’ দলের ছায়া সফর রয়েছে। এখন টেস্টের জন্য বুমরাহ, সিরাজ, প্রসিদ্ধ তিন জনকেই তৈরি থাকতে হবে।”
শোনা গিয়েছিল ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে চান প্রধান নির্বাচক আগরকর। তবে বোর্ডকর্তা বলেছেন, “অজিতের চুক্তি শেষ হচ্ছে সেপ্টেম্বরে। তার পর বোর্ড সচিব এবং অজিত বসে ঠিক করবেন কী করা যায়। সংবিধান অনুযায়ী একজন নির্বাচক চার বছর পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে পারেন। তাঁকে চুক্তিবৃদ্ধি চেয়ে নিতে হয় না।”