(বাঁ দিক থেকে) সঞ্জীব গোয়েন্কা, মহম্মদ শামি এবং লোকেশ রাহুল। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
দলের খেলা শেষ হলেই ভিআইপি বক্স থেকে সোজা মাঠে নেমে যান লখনউ সুপার জায়ান্টসের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েন্কা। কথা বলেন অধিনায়কের সঙ্গে। কিছুটা উত্তেজিতও হয়ে পড়েন কখনও কখনও। যা বিতর্ক তৈরি করেছে অতীতে। লখনউ কর্ণধারের এমন আচরণে কোনও ভুল দেখছেন না মহম্মদ শামি।
এ বার প্রথম গোয়েন্কার দলের হয়ে আইপিএল খেলবেন শামি। ক্রিকেট নিয়ে কলকাতার শিল্পপতির আবেগ, আগ্রহ দেখে মুগ্ধ বাংলার জোরে বোলার। এক সাক্ষাৎকারে শামি বলেছেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত দু’তিন বার দেখা হয়েছে। প্রতিবারই গোয়েন্কা স্যর খুব ভাল ভাবে কথা বলেছেন। ওঁর কথায় যুক্তি থাকে। দল নিয়েও কথা হয়েছে। তা ছাড়া দেখুন, যিনি এত টাকা বিনিয়োগ করছেন, দল তৈরি করছেন, তাঁর প্রত্যাশা একটু বেশি তো থাকবেই। এর মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু নেই। একটুও অযৌক্তিক নয়।’’
দলের কর্ণধারের পাশে দাঁড়িয়ে শামি আরও বলেছেন, ‘‘নিজের দলের প্রতি গোয়েন্কা স্যরের অধিকারবোধ যদি একটু বেশিও হয়, তাতেই বা সমস্যা কোথায়? উনি যদি প্রত্যাশা করেন, দলের ক্রিকেটারেরা ভাল পারফরম্যান্স করবে, সেরাটা উজাড় করে দেবে, তা হলে ক্ষতি কী? আজকাল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নানা রকম মিম তৈরি হয়। অনেকে অনেক কিছু বলেন। এগুলো ঠিক নয়। ওঁর কথা বাদ দিন। একজন সাধারণ মানুষের কথাই ধরুন। কেউ কোথাও পাঁচ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলেও ১০ বার ভাবেন টাকাটা ঠিকঠাক ফেরত পাবেন কি না।’’
২০২৪ সালে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে গোয়েন্কা কথা বলেছিলেন উত্তেজিত ভাবে। ২০২৫ সালে প্রায় একই ভাবে তাঁকে কথা বলতে দেখা গিয়েছে ঋষভ পন্থের সঙ্গেও। রাহুলের সঙ্গে গোয়েন্কার প্রকাশ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় বা পন্থের সঙ্গে গম্ভীর ভাবে কথা বলা নিয়ে নানা সমালোচনা, বিতর্ক হয়েছে। প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা, ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ সমালোচনা করেছেন লখনউ কর্ণধারের। সেই বিতর্কেই লখনউ কর্ণধারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলার জোরে বোলার।