(বাঁ দিকে) শাহিন আফ্রিদি ও শাহিদ আফ্রিদি (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
ভারতের কাছে পাকিস্তানের হার মেনে নিতে পারছেন না শাহিদ আফ্রিদি। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে দু’ওভার বল করে ৩১ রান দিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি। ঘটনাচক্রে শাহিন ও শাহিদের সম্পর্ক জামাই-শ্বশুরের। সেই জামাইকেই এ বার দল থেকে বাদ দেওয়ার কথা বললেন শ্বশুর। জানিয়ে দিলেন, তাঁর হাতে ক্ষমতা থাকলে শাহিনকে ছাঁটাই করতেন তিনি।
আফ্রিদির মতে, দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের হারের দায় নিতে হবে। বার বার একই ক্রিকেটারদের উপর ভরসা দেখানোর মানে নেই। সেটা নির্বাচকদের বুঝতে হবে। আফ্রিদি বলেন, “যদি আমার হাতে ক্ষমতা থাকত তা হলে শাহিন, বাবর ও শাদাবকে বাদ দিয়ে দিতাম। ওদের বদলে নতুনদের সুযোগ দিতাম। এরা তো বছরের পর বছর খেলছে। এখনও ভারতকে হারাতে পারল না। তা হলে কেন ওদেরই খেলিয়ে যাব। আমার মনে হয়, নামিবিয়া ম্যাচেই এই তিন জনকে বসিয়ে দেওয়া উচিত।”
দলকে জেতাতে না পারলে সিনিয়র ক্রিকেটারদেরও খেলার অধিকার নেই বলে মনে করেন আফ্রিদি। তিনি বলেন, “এত দিন ধরে এরা খেলছে। এখনও জানে না, কোন পরিস্থিতিতে কী ভাবে খেলতে হয়। এখনও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারে না। সিনিয়র হিসাবে ওরা কী করছে? তা হলে কোন যোগ্যতায় ওরা খেলবে? ওদের এখনই বাদ দেওয়া উচিত।”
অতীতে অনেক বার শাহিন পাশে পেয়েছেন শাহিদকে। কঠিন সময়ে শাহিনের উপর ভরসা দেখিয়েছেন তিনি। ভারতের বিরুদ্ধে শাহিন যে পাকিস্তানের বড় অস্ত্র, সেই দাবি বার বার করেছেন। কিন্তু রবিবারের হারের পর আর জামাইয়ের হয়ে কথা বলতে পারছেন না তিনি। শাহিদের কথা থেকেই তা বোঝা যাচ্ছে।
হারের পর নিজেদের দেশেই সমালোচনার মুখে পাকিস্তানের ক্রিকেটারেরা। পাশাপাশি আক্রমণ করা হচ্ছে নকভিকেও। রবিবার পুরো ম্যাচ মাঠে থাকেননি নকভি। পাকিস্তানের ৫ উইকেট পড়ার পরেই মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। ফলে আরও সমালোচনার মুখে পড়েছেন নকভি। চাপ বাড়ছে তাঁর উপর।