সতীর্থের সঙ্গে উচ্ছ্বাস পাপে গিউয়ের। ছবি: রয়টার্স।
বুধবার রাতে বেলজিয়ামের কাছে শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছেন সেনেগাল। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই গোলমাল শুরু হয়ে গেল সেই দলে। কোচেদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ালেন পাপে গিউয়ে। জানিয়েছেন, এখনকার কোচ এবং টেকনিক্যাল স্টাফদের সরানো না হলে তিনি আর সেনেগালের জার্সিতে নামবেন না।
বুধবার ম্যাচ শেষ হওয়ার পর নিজের সমাজমাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন গিউয়ে। তিনি লিখেছেন, “বিদায় নেওয়ার ব্যাপারে আরও কিছু কথা ফিরে এসে আপনাদের বলব। কিন্তু আজ ঘোষণা করতে চাই, যত দিন এই টেকনিক্যাল স্টাফেরা রয়েছে, তত দিন জাতীয় দলের থেকে বিরতি নিচ্ছি।”
দলের কার সঙ্গে ঠিক কী হয়েছে তা অবশ্য স্পষ্ট হয়নি। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তাঁর আসল ক্ষোভ কোচ পাপে চাওয়ের বিরুদ্ধে কি না তা বোঝা যাচ্ছে না। ইরাক ম্যাচে তাঁকে শুরু থেকে নামাননি সেনেগালের কোচ। সেই ম্যাচে পরিবর্ত হিসাবে নেমে দু’টি গোল করেছিলেন গিউয়ে। বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ৬৬ মিনিটে মাঠে নামেন।
হাবিব দিয়ারা এবং ইসমাইলা সারের গোলের ২-০ এগিয়ে গিয়েছিল সেনেগাল। কিন্তু রোমেলু লুকাকু এবং ইউরি টিয়েলেম্যান্স গোল করে সমতা ফেরান। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে তিয়েলেম্যান্সের পেনাল্টি থেকে করা গোলে জেতে বেলজিয়াম।
কেন গিউয়েকে আগে তুলে নেওয়া হয়েছে সেই প্রশ্নের জবাব কোচ চাও জানিয়েছিলেন, গিউয়ে ক্লান্ত ছিলেন বলেই তাঁকে মাঠে রাখেননি। যদিও মিক্সড জ়োনে এ কথা অস্বীকার করেন গিউয়ে। বলেন, “শারীরিক ভাবে ভাল জায়গায় ছিলাম। কোচ নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাজ করেছেন। সেটাকে সমীহ করতে হবে। কোচকে এই প্রশ্ন করুন। ওঁর থেকেই উত্তর পাবেন।”